আরও বিপাকে সন্দীপ ঘোষ, আবেদনে পাত্তাই দিল না কলকাতা হাইকোর্ট
সমস্যা থেকে রেহাই পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ। কিন্তু আদালত এবারও তার আবেদনের সাড়া দিল না। জরুরি ভিত্তিতে আবেদন শোনার আর্জি জানানো হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। কিন্তু বিচারপতি সেই আর্জি কার্যত কানে তুললেন না। ফলে আর্থিক দুরবস্থার মধ্যেই আপাতত কাটাতে হবে আরজি কর হাসপাতালে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে।
জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষ। প্রবল পরাক্রমী এখন কার্যত চুপসে গিয়েছেন বলে খবর। আর্থিক অসঙ্গতিতে পড়েছেন তিনি। বিপুল পরিমাণ টাকা আইনজীবীদের দিতে হচ্ছে মামলা চালানোর জন্য। এছাড়াও সংসার খরচ রয়েছে। সন্তানদের পড়াশোনার খরচ দিতে হবে। এদিকে আর্থিক উপার্জন বন্ধ। এই অবস্থায় ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙাই এখন একমাত্র কাজ।

২০ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙতে চেয়েছেন সন্দীপ ঘোষ। কিন্তু তার বিরুদ্ধে সিবিআই ও ইডি দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করছে। আদালতের নির্দেশ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ সন্দীপ ঘোষ এক্ষেত্রে করতে পারবেন না। এদিকে টাকার প্রয়োজন যথেষ্ট। সেই কারণে অবসরকালীন বেঞ্চে সন্দীপ ঘোষ জরুরি ভিত্তিতে আবেদন জানিয়েছিলেন।
আজ শুক্রবার বিচারপতি বিভাস পট্টনায়কের ঘরে ৬৩ নম্বর আইটেম ছিল মামলা। তার তরফের আইনজীবী এই মামলা আগে শোনার আর্জি জানান। যদিও বিচারপতি জানিয়ে দেন লিস্ট এগিয়ে আনা সম্ভব নয়। ফলে সমস্যায় পড়লেন সন্দীপ ঘোষ। এর আগেও তার একটি আবেদনে কলকাতা হাইকোর্ট তেমন কোনও গুরুত্ব দেয়নি৷
এবারও তাই হল। সন্দীপ ঘোষের ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙার মামলা জরুরি ভিত্তিতে শোনার আর্জিতে আমল দিল না আদালত। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় ২০ লক্ষ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে। ওই টাকা তুলতে গেলে সন্দীপ ঘোষকে সই করতে হবে। কিন্তু সন্দীপ ঘোষ এখন রেলবন্দি। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষের সই নেবে।
কিন্তু ব্যাঙ্ক সেই সইয়ের অথেন্টিকেশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সেই কারণেই সন্দীপ ঘোষ জরুরি ভিত্তিতে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications