বাজেটকে হতাশাজনক, শহরের বুকে পুড়ল মোদী, সীতারামনের কুশপুত্তলিকা
বাজেটকে হতাশাজনক, শহরের বুকে পুড়ল মোদী, সীতারামনের কুশপুত্তলিকা
বাজেটকে হতাশাজনক,.এমনটাই বর্ণনা করল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন ছাত্র পরিষদ। করল বিশাল প্রতিবাদ। পোড়ানো হল নরেন্দ্র মোদী ও নির্মলা সীতারামনের কুশপুত্তলিকা।

ছাত্র পরিষদ বলেছে, শিক্ষা বাজেটে ছাত্রছাত্রীদের স্বস্তি দেওয়ার পরিবর্তে শুধুই বক্তৃতা পাওয়া গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ছাত্র পরিষদ সভাপতি সৌরভ প্রসাদ বলেছেন যে, 'সরকার শিল্পপতিদের কর ছাড় দেওয়ার কথা মনে রেখেছে কিন্তু শিক্ষার্থীদের ফি'তে কোনও ছাড় দেওয়া হয়নি। সরকার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের দিকে তাকাতে একেবারেই ভুলে গেছে। তার প্রশ্ন কিভাবে বৃত্তি ও ফেলোশিপ সময়মতো পাওয়া যাবে, গত ২ বছর ধরে সরকার ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে ফাইন্যান্স করার পরিকল্পনা করছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত তা নেই। দিতে পারিনি বা কিভাবে পাবো তার কোনও পরিকল্পনাও নেই।' তিনি আরও বলেন, 'বাজেট জুড়ে ডিজিটাল শব্দটি বহুবার ব্যবহার করা হলেও স্কুল-কলেজে কম্পিউটার ও ল্যাপটপ কীভাবে দেওয়া হবে, শিক্ষার্থীদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার পরিকল্পনা কেন করা হয়নি! তা ব্যাখ্যা করতে পারছে না সরকার।'

সৌরভ প্রসাদ জানিয়েছেন যে, 'NSSO 2017-2018-এর তথ্য অনুসারে, ১২ শতাংশ এসটি, ১৭ শতাংশ এসসি, ২২ শতাংশ ওবিসি, ৩৯ শতাংশ সাধারণ শ্রেণীর ছাত্রদের ইন্টারনেট সুবিধা নেই। সরকার কীভাবে সেই সমস্ত ছাত্রদের কাছে ই-কন্টেন্ট পৌঁছে দেবে! যারা ঋণ নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন, গত ৩ বছর ধরে প্লেসমেন্টের জন্য বসে আছেন, যিনি চাকরি পাননি, এমন পরিস্থিতিতে তিনি কীভাবে তার ইএমআই পূরণ করবেন! তাকে স্বস্তি দেওয়ার বিষয়ে বাজেটে কিছুই বলা হয়নি। ছাত্র পরিষদ দাবি করেছে যে এই ধরনের ছাত্রদের বিগত ৩ বছরের ঋণ মকুব করা হোক। টুইটে নীরজ কুন্দন বলেছেন যে আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষাকে ১২ তম পর্যন্ত হেডলাইন করা হয়েছিল, তবে এর পরে কীভাবে ক্যারিয়ার তৈরি করা যায় সে সম্পর্কে বিশদ তথ্য নেই। তাই এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে আজ কলেজ স্ট্রীট মোড় থেকে মিছিল করে কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সামনে ছাত্র পরিষদ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এবং মোদী ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কুশ পুত্তলিকা দাহ করে।'












Click it and Unblock the Notifications