অ্যাক্রোপলিস মলের ফায়ার এক্সিটে আবর্জনার স্তূপ, কাজ করছে না ভেন্টিলেটরও, বেরোতে গিয়ে অসুস্থ একাধিক কর্মী
এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি অ্যাক্রোপলিস মলের আগুন। উৎসস্থলে পৌঁছতে পারেননি দমকলকর্মীরা। কোনও মতে ফায়ার এক্সিট দিয়ে বেরিয়ে আসেন মলের কর্মীরা। তাঁরা অভিযোগ করেছেন শপিং মলের ভেতরের ফায়ার এক্সিট পরিষ্কার ছিল না। সেখানে রাবিস স্তূপ করে পড়ে রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
এখনও আগুন নিয়ন্তণে আসেনি। শপিং মলের ভেতর কালো ধোঁয়ায় ভরে গিয়েছে। ভেতরে ঢুকে কাজ করতে পারছেন না । অক্সিজেন মাস্ক পরে ভেতরে প্রবেশ করেছেন কয়েকজন দমকলকর্মী। অন্যদিকে শপিং মলের ভেতরে অনেক ভেন্টিলেশন কাজ করছে না। সেকারণে কাচ ভেঙে কালো ধোঁয়া বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ১৫টি ইঞ্জিন সেখানে কাজ করছে।

নিয়ে আসা হয়েছে হাইট্রোলিক ল্যাডার। সেই ল্যাডারের মাধ্যমে দমকল কর্মীরা ভেতরের আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। তবে শপিং মলের ভেতরে কেউ আটকে নেই বলেই জানিয়েছে পুলিশ। দেড় ঘণ্টা পরেও পরিস্থিতি আয়ত্তে আনা যায়নি। গীতাঞ্জলি স্টেিডয়ামের দিক দিয়ে ল্যাডার ব্যবহার করে ভেতরের আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে দমকল বাহিনী।
গীতাঞ্জলী স্টেিডয়ামের ভেতরে ল্যাডার দিয়ে উপরে উঠে শপিং মলের কাচ ভাঙছে দমকলকর্মীরা। আগুনের উৎসস্ছথল এখনও চিহ্নিত করতে পারেনি দমকলকর্মীরা। ভেতরের কালো ধোঁয়া বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অক্সিজেন মাস্ক পরে ভেতরে ঢুকেছেন দমকলকর্মীরা।
শপিং মলের কর্মীরা অভিযোগ করেছেন ফায়ার এক্সিট যেখানে পরিষ্কার থাকার কথা সেটা পরিষ্কার রাখা ছিল। সিঁড়ির মধ্যে সিমেন্টের রাবিস, কাঠ, পেরেক সব পড়ে রয়েছে। সেকারণে সেখান দিয়ে বেরোতে গিয়ে অনেকেই সুস্থ হয়ে পড়েছেন। যে রেস্তরাঁর কিচেন থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে চারতলায় সেখানে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন দমকলকর্মীরা।
দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের কোনও গাফিলতি থাকলে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন দমকলমন্ত্রী। যদিও এখন আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফরেন্সিক তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আপাতত শপিং মল বন্ধ থাকবে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications