Fake Passport Racket: ট্রাভেল এজেন্সির আড়ালে পাসপোর্ট জালিয়াতি! গ্রেফতার চক্রের অন্যতম মাথা মনোজ গুপ্ত
Fake Passport Racket: পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার আরও এক। পাসপোর্ট জালিয়াতির অন্যতম মাথা মনোজ গুপ্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ভয়ো নথি দিয়ে পাসপোর্ট বানানোয় এই নিয়ে গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়াল ৭। ট্রাভেল এজেন্সির নাম করে আড়ালে পাসপোর্ট জালিয়াতি চালাত মনোজ। এমনটাই দাবি পুলিশের। উত্তর ২৪ পরনার গাইঘাটা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পাসপোর্ট জালিয়াতি মামলায় বারাসাতের সমরেশ বিশ্বাস, তাঁর ছেলে রিপন বিশ্বাস, যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ছাত্র ও ঢাকুরিয়া ডাকঘরের অস্থায়ী কর্মী, দক্ষিণ ২৪ পরগনারর বাসিন্দা দীপক মণ্ডল, বসিরহাট পোস্ট অফিসের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর তারকনাথ সেন এবং বেহালার পর্ণশ্রীর DTP কর্মী দীপঙ্কর দাসের, দত্তপুকুরের মোক্তার আলমের পর এবার বেহালার মনোজ গুপ্ত গ্রেফতার।

মনোজ গুপ্ত কিংপিন কিনা সেসম্পর্কে সন্দিহান তদন্তকারী গোয়েন্দারা। পুলিশ সূত্রের খবর, বেহালার সখেরবাজারে ২টি ফ্ল্যাটে ট্রাভেল এজেন্সির নাম করে অফিস চালাত এই মনোজ। ট্রাভেল এজেন্সির আড়ালে মোটা টাকার বিনিময়ে জাল নথি বানাত সে। সেই নথি দিয়েই অবৈধ নাগরিকদের ভারতের পাসপোর্ট বানিয়ে দিত সে।
এদিন মনোজের বেহালার সখেরবাজারের অফিসে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর জাল নথি উদ্ধার করে পুলিশ। সমরেশ বিশ্বাসকে গ্রেফতারের পর তাঁর মোবাইল থেকে একাধিক তথ্য আসে পুলিশের হাতে। সেই তথ্যের সূত্র ধরেই পর্ণশ্রী থেকে দীপঙ্করকে গ্রেফতার করা হয়। দীপঙ্কর মনোজের আন্ডারে কাজ করত বলে জানতে পারে পুলিশ।
এদিকে দীপঙ্কর ধরা পড়তেই বেহালা থেকে পালিয়ে যায় মনোজ। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় গিয়ে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল সে। রাতারাতি হানা দিয়ে সেখান থেকেই তাকে ধরে ফেলেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। অবৈধ পাসপোর্ট বানাতে চারিদিকে দালাল ছড়িয়ে রেখেছিল এই মনোজ। ডিটিপির মাধ্যমে ফেক আইডি কার্ড বানাত সে। মনোজ যাতে বিদেশে না পালাতে পারে সেই ব্যবস্থাও নেওয়া হয় পুলিশের তরফে।
দীপঙ্কর একাই মনোজের কর্মী ছিল, নাকি বাকিরাও জড়িত তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে ধৃত মনোজের সঙ্গে সমরেশের সরাসরি যোগ ছিল বলে জানতে পারে পুলিশ। পুলিশের দাবি, প্রত্যেকের আলাদা আলাদা কিন্তু মিলিত ভূমিকা রয়েছে, সবকটি যোগ করলেই করলেই বড় চক্রের হদিশ মিলছে। পাসপোর্ট জাল বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত বলে আশঙ্কা পুলিশের।
এদিকে ওয়েস্ট বেঙ্গল বোর্ডের জাল স্কুল সার্টিফিকেট ও অ্যাডমিট কার্ড দিয়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জাল পাসপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তৃণমূল পরিচালিত কদম্বগাছি পঞ্চায়েতে সবথেকে বেশি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পঞ্চায়েতের নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে ভুয়ো নথি বানানো হয়েছিল। উত্তর ২৪ পরগনা জুড়ে রমরমিয়ে চলত জাল পাসপোর্ট চক্র।












Click it and Unblock the Notifications