শহরে ব্যবসায়ীর খাটের নিচ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার ইডির! প্রতারণা না অন্য কিছু, জিজ্ঞাসাবাদ আমির খানকে
জুলাই মাসের শেষে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে নগদে ৫০ কোটি টাকার বেশি উদ্ধার করে ইডি (ED)। তারপর থেকে জেলেই রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখে
জুলাই মাসের শেষে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের দুটি ফ্ল্যাট থেকে নগদে ৫০ কোটি টাকার বেশি উদ্ধার করে ইডি (ED)। তারপর থেকে জেলেই রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। এবার শহরের পরিবহণ ব্যবসায়ী (businessman) নিসার খানের বাড়ি থেকে কোটি কোটি (crore) টাকা উদ্ধার (recover) । তল্লাশি ফের সেই ইডি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইডি টাকা গোনা মেশিন দিয়ে ৭ কোটি টাকা গুনতে পেরেছে। এই ঘটনায় ওই ব্যবসায়ীর ছোট ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ইডির আধিকারিকরা।

সকাল থেকে ইডি হানা
এদিন সকাল থেকে কলকাতার তিনটি জায়গায় তল্লাশি চালাতে শুরু করেন ইডির আধিকারিকরা। পার্ক স্ট্রিট, গার্ডেনরিচ এবং মোমিনপুর তিনটি জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়। পার্ক স্ট্রিটের কাছে ম্যাকলয়েড স্ট্রিটে এক আইনজীবীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চলে। সেই সময়েই তল্লাশি শুরু হয় গার্ডেনরিচের শাহি আস্তাবল গলিতে তল্লাশি শুরু হয়। সেখানে তল্লাশি চলে পরিবহণ ব্যবসায়ী নাসির খানের বাড়িতে। নিউটাউন-সহ শহরের একাধিক জায়গায় এই ব্যবসায়ীর অফিস রয়েছে। সেইসব জায়গাতেও তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা।

খাটের নিচ থেকে টাকা উদ্ধার
ইডির কাছে টাকা রাখার সূত্র ছিল। সেই মতো গার্ডেনরিচের শাহি আস্তাবল গলিতে নাসির খানের বাড়িতে তল্লাশি শুরু করেন ইডির আধিকারিকরা। তবে তল্লাশি শুরুর আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলা হয়। এরপর বাড়িতে ঢোকের ইডির আধিকারিকরা। দোতলার একটি ঘরের খাটের নিচে প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে টাকার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখানে টাকা সাজানো ছিল। ব্যাঙ্ক কর্মী এবং টাকা গোনার মেশিন আনা হয়। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সেই বাড়িতে ৭ কোটি টাকা গোনা সম্ভব হয়েছে। টাকা উদ্ধারের পরে সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা এবং ইডির আধিকারিকদের সংখ্যা বাড়ানো হয়। এই টাকার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেই জানা গিয়েছে।
|
মোবাইল গেমিং অ্যাপের মাধ্যমে প্রতারণা
মোবাইল গেমিং অ্যাপ ইন্যাগেটস। তার মাধ্যমে সারা দেশে ৬৫ থেকে ৭০ কোটি টাকা প্রতারণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ পাওয়ার পরে ইডির আধিকারিকরা জানতে পারেন এর সঙ্গে জড়ির রয়েছে ব্যবসায়ী নাসির খানের পরিবার। সেই মতো তল্লাশি অভিযান চলে মেটিয়াবুরুজ থানার খুব কাছেই একটি বাড়িতে। ইডির সূত্রে জানা গিয়েছে নাসির খানের তিন ছেলের মধ্যে ছোট ছেলেই সেই অ্যাপটি তৈরি করে প্রতারণা করেছে। সেই মতো তাঁকে এদিন জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করেন ইডির আধিকারিকরা।

ইডির তল্লাশি নিয়ে ফিরহাদ হাকিম
এদিন ইডির তল্লাশি নিয়ে স্থানীয় বিধায়ক তথা কলকাতার মেয়র ও রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজ্যের ব্যবসায়ীদের ভয় দেখানো হচ্ছে। টাকা নিজেদের রাজ্যে নিয়ে যেতে চাইছে বলেই মনে করছেন তিনি। বাংলার অর্থনীতিকে ভেঙে দেওয়ার চেশ্টা হচ্ছে বলে মনে করেন তিনি। বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিগত মত বলেও জানান ফিরহাদ। তবে আইন না মেনে কিছু হয়ে থাকলে শাস্তি প্রাপ্য বলেও জানান তিনি।












Click it and Unblock the Notifications