পঞ্চায়েত ভোট সুরক্ষায় সিভিক ভলেন্টিয়ার-এনভিএফ! রাজ্যের পরিকল্পনায় বিস্মিত আদালত
পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তায় কারা থাকবেন, তা নিয়ে বিতর্কের এখনও অবসান হয়নি। এখনও নিরাপত্তা প্রশ্নে আটকে রয়েছে পঞ্চায়েক ভোটের ভবিষ্যৎ।
পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তায় কারা থাকবেন, তা নিয়ে বিতর্কের এখনও অবসান হয়নি। এখনও নিরাপত্তা প্রশ্নে আটকে রয়েছে পঞ্চায়েক ভোটের ভবিষ্যৎ। তবে মঙ্গলবারই তা একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে যাবে, রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট-ভাগ্যে কী রয়েছে। এরই মধ্যে রাজ্য কার্যত নিশ্চিত করেই জানিয়ে দিল এবার পঞ্চায়েত ভোটের নিরাপত্তায় ব্যবহার করা হবে সিভিক ভলেন্টিয়ারদেরও।

এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট ঘোষোণার পর থেকেই প্রশ্নটা উঠে পড়েছিল। রাজ্যে কাদের দিয়ে ভোট করাবে। রাজ্যের হাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী কোথায়, সাকুল্যে ৫৮ হাজার পুলিশ। তার মধ্যে সশস্ত্র পুলিশ ৪৬ হাজার। আর লাঠিধারী পুলিশ ১২ হাজার। আর রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৫৮ হাজারেরও বেশি।
এই অবস্থায় বিরোধীরা যখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানাচ্ছে, তখন শাসক দল চাইছে রাজ্যের পুলিশ দিয়ে ভোট করাতে। সেক্ষেত্রে তারা পাঁচ রাজ্যের শরণাপন্ন হলেও, কেন্দ্রীয় বাহিনীতে অনিচ্ছুক। এই অবস্থায় রাজ্য নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সিভিক ভলেন্টিয়ার ও এনভিএফ অর্থাৎ ন্যাশনাল ভলেন্টিয়ার ফোর্সকেও ভোটের কাজে ব্যবহার করতে।
নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে এবার সিভিক ভলেন্টিয়ার ও এনভিএফকেও ভোট ময়দানে নামানো হয়েছে। এর আগে ভোটের কাজে ব্যবহার করা হয়নি সিভিক ভলেন্টিয়ারকে। ব্যবহার করা হয়নি এনভিএফকেও। তবে বাম আমলে এলাকা থেকে হোমগার্ড হিসেবে লোক নিয়োগ করা হত। আর এই হোমগার্ড বাহিনীতে ক্যাডারদের ব্যবহার করা হত বলে অভিযোগ ছিল। এখন অবশ্য রাজ্য পুলিশের উপরই ভরসা রাখা হয়। আর বিশেষ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। এবার সিভিক ভলেন্টিয়ার ও এনভিএফ নিয়োগ করে বাহিনী সংকট মেটানোর চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য।












Click it and Unblock the Notifications