Buddhadeb Bhattacharjee Death: শেষবারের মতো বিধানসভা ছাড়লেন বুদ্ধবাবু! সৌজন্যের ছবি 'ভবনে'
Buddhadeb Bhattacharjee Death: রাজনীতিতে সৌজন্যের কথা বলতেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। রাজনৈতিক মতাদর্শ আলদা হলেও সবার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর গভীর। বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়াণে সেই সৌজন্যের ছবিই ধরা পড়ল বিধানসভায়।
শাসক বিরোধী সমস্ত দলের বিধায়করা একসারিতে দাঁড়িয়ে 'কমরেড' বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে 'স্যালুট' জানালেন। এক ফ্রেমে ধরা পড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Buddhadeb Bhattacharjee Death)।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টা নাগাদ পিস ওয়ার্ল্ড থেকে বের করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দেহ। বিশেষ লাল ফুলে সাজানো শকট গাড়িতে শেষবারের জন্য বিধানসভায় নিয়ে যাওয়া হয় বুদ্ধবাবুকে। সেখানে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সহ একাধিক রাজ্যের মন্ত্রী।।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে (Buddhadeb Bhattacharjee Death) শ্রদ্ধা জানান প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মিত্র, প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী, প্রাক্তন রাজ্যপাল শ্যামল সেন সহ একাধিক ব্যক্তিত্ব। এমনকি বঙ্গ বিধানসভায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানানো হয় কলকাতা পুলিশের তরফেও। শ্রদ্ধা জানান কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) বিনীত গোয়েল এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার।
শুধু তাই নয়, প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন বিধানসভার বাইরে বহু মানুষ জোড়ো হয়েছিলেন। যদিও নিরাপত্তার কারণে গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঠিক আধ ঘণ্টা বঙ্গ বিধানসভায় শায়িত ছিল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দেহ। সর্বক্ষণ পাশে ছিলেন স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য এবং তাঁদের সন্তান। এরপর শেষবারের মতো বিধানসভা ছেড়ে শকটগাড়ি। বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১১ সালে শেষবার বিধানসভা ছাড়েন বুদ্ধবাবু। এরপর আর সেদিকে যাননি।
অন্যদিকে এদিন রাজ্যের তরফে গ্যান স্যালুট দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোনা যাচ্ছিল, বিধানসভায় পুলিশের তরফে তা দেওয়া হবে। কিন্তু তাতে রাজি ছিলেন না মীরদেবী। আর সেই কথা প্রশাসনকে আলিমুদ্দিনের ম্যানেজাররা জানিয়ে দেন বলে খবর।
এই প্রতিবেদন লেখার সময়, বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দেহ আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজ্যে এসেছেন ৯ জন পলিটব্যুরো সদস্য। আছেন প্রকাশ কারাট, বৃন্দা কারাট, নীলৎপল বসু, এম এ বেবি, মানিক সরকারত সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। এছাড়াও দেশের অন্যান্য রাজ্যের সম্পাদকরা সবাই এসেছেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিপিএমের সদর দফতরের বাইরে একেবারে লম্বা লাইন মানুষের। শেষবারের জন্য প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাবেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications