করোনার মোকাবিলায় প্রয়োগ আয়ুর্বেদিক ওষুধ! কলকাতায় হয়েছে কাজ, দাবি চিকিৎসকদের
করোনা মোকাবিলায় নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। অ্যালোপ্যাথি বাদ দিয়ে হোমিওপ্যাথি এবং আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরাও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন করোনাকে বাগে আনতে।
করোনা মোকাবিলায় নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। অ্যালোপ্যাথি বাদ দিয়ে হোমিওপ্যাথি এবং আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরাও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন করোনাকে বাগে আনতে। সব থেকে বড় কথা হল বাড়াতে হবে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। কলকাতাতেই এর প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে আয়ুর্বেদিক ওষুধে। দাবি করেছেন চিকিৎসদের একাংশ।

বৃদ্ধের মৃত্যুর পর হাসপাতালেই কোয়ারেন্টাইনে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা
মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের এক বৃদ্ধ বাসিন্দা ১০ এপ্রিল উত্তর কলকাতার বিশুদ্ধানন্দ সরস্বতী মাড়োয়ারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যু হয় ১৪ এপ্রিল। মৃত্যুর পর ওই বৃদ্ধের নমুনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ওই বৃদ্ধের সংস্পর্শে আসা ২৬ জন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের হাসপাতালেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয় । একজন নার্স শুধুমাত্র ছিলেন হোম কোয়ারেন্টাইনে।

হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকাদের আয়ুর্বেদিক ওষুধ
হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকা ২৬ জনকে প্রতিদিন দেওয়া হয়েছিল ক্বাথ এবং চ্যবনপ্রাশ। বিডন স্ট্রিটে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা নার্সকে এই জিনিস দেওয়া হয়নি। হাসপাতালেরই আয়ুর্বেদ বিভাগ থেকে এনিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ক্বাথ তৈরি করা হয়েছিল এলাচ, আদা, হলুদ, কালো মরিচ, লবঙ্গ দিয়ে। যা উষ্ণ গরম জলে মিশিয়ে খাওয়ানো হয়েছিল। অন্যদিকে হাসপাতালের তৈরি চ্যবনপ্রাশ খাওয়ানো হয়েছিল তাঁদের। এছাড়াও রাতে শোয়ার আগে দুধের সঙ্গে হলুদও খাওয়ানো হয়েছিল। ১৪ দিন খাওয়ানোর পর সবারই নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। অন্যদিকে, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা নার্সের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেই রিপোর্ট নেগেটিভ
এব্যাপারে আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের দাবি, নির্দিষ্ট ডোজে ক্বাথ ও চ্যবনপ্রাশ খাওয়ালে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এক্ষেত্রেই তাই হয়েছে বলেও দাবি চিকিৎসকদের। করোনা চিকিৎসায় এই ঘটনা অন্যতম নিদর্শন বলেও বর্ণনা করা হয়েছে চিকিৎসকদের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications