তিনবার আরজি করে ঢোকে সঞ্জয়! সঙ্গে ছিল আরও এক সিভিক ভলান্টিয়ারও, চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআই'য়ের হাতে
RG Kar Hospital Case-CBI: আরজি কর-কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য। একবার নয়, ধৃত সঞ্জয় রায় ঘটনার দিন তিনবার হাসপাতালে ঢোকে। প্রথমবার তাঁর সঙ্গে ছিল সৌরভ বলে আরও এক সিভিক ভলান্টিয়ার। শেষ দু'বার যদিও একাই হাসপাতালে ঢোকে সঞ্জয়। তদন্তে এমনটাই চাঞ্চল্যকর তথ্য পাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু বারবার কেন হাসপাতালে ঢোকার প্রয়োজন পড়ল ধৃত কলকাতা পুলিশে কর্মরত ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের?
ঘটনার আগে রেইকি করতেই কী সেখানে গিয়েছিল? সেই প্রশ্নেরই এখন খোঁজ করছে সিবিআই। আর সেই তদন্তে আজ সোমবার ফের একবার আরজি কর হাসপাতালে গেলেন সিবিআই আধিকারিকরা (RG Kar Hospital Case-CBI)। ঘটনাস্থল এবং গোটা এলাকা নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে সোদপুরে মৃত চিকিৎসকের বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছে সিবিআই'য়ের একটি দল। বেশ কিছু নতুন তথ্য জানতেই সেখানেই তাঁরা গিয়েছেন বলে খবর। অন্যদিকে আজ সোমবার সকাল থেকে আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষকে জেরা করা হচ্ছে বলেও খবর।
সূত্রের খবর, ধৃত সঞ্জয় রায়কে হেফাজতে পাওয়ার পর থেকে দফায় দফায় জেরা করেন তদন্তকারীরা। একই সঙ্গে তার গতিবিধি এবং টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করছিল। ঘটনার দিন সে কোথায় কোথায় গিয়েছিল সেই সংক্রান্ত তথ্য নেন তদন্তকারীরা। এমনকি ডেটা ইউসেজও খতিয়ে দেখা হয়। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে বেশ কিছু পেয়েছেন আধিকারিকরা। জানতে পেরেছেন ঘটনার দিন তিনবার আরজি কর হাসপাতালে ঢোকে সে।
প্রথমবার সন্ধ্যা ৬টায়। তবে সঞ্জয় একা নয়, তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও এক সিভিক ভলান্টিয়ার। তার নাম সৌরভ বলে জানা যায়। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, সৌরভের বাবা আরজি কর হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। আর সেই কারণেই দুজনে মিলে এসেছিল। যদিও কিছুক্ষণ পরেই তাঁরা বেরিয়ে যান। এরপর রাত ১১ টার সময় ফের একবার হাসপাতালে ঢোকে সঞ্জয়। সোজা চলে যায় চেস্ট মেডিসিনে। কিন্তু কেন? উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। তবে অনুমান, ঘটনার আগে রেইকি করতেই সম্ভবত সে ওই এলাকায় গিয়েছিল।
এরপর রাত ৪টে তিন নাগাদ ফের একবার সিসি ক্যামেরায় সঞ্জয়ের লোকেশন ট্র্যাক হয় সেমিনার হলে। আর এরপরেই নৃশংস ঘটনার সাক্ষী দেশ। অন্যদিকে সরকারি হাসপাতালে কীভাবে অবাধ যাতায়াত ছিল সঞ্জয়ের? তা নিয়েই চাঞ্চল্যকর হাতে এসেছে। জানা যায়, হাসপাতালের পুলিশ ব্যারাকে অন্তত ২৭ জন সিভিক দায়িত্বে। রয়েছেন কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিকও। সবার সঙ্গেই দারুণ সম্পর্ক সঞ্জয়ের। আর সেই সূত্র ধরেই হাসপাতালের যে কোনও জায়গায় পৌঁছে যাওয়ার ক্ষমতা তার ছিল বলেই মনে করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।












Click it and Unblock the Notifications