শহরে উদ্ধার নগদ ৪ কোটি, নিউ টাউনের কল সেন্টারে থরে থরে সাজানো টাকা
শহরের বুকে ফের টাকা উদ্ধার। গত কয়েকদিনে কখনও গড়িয়াহাট তো কখনও ইডির তল্লাশিতে শহরের বুকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে। আর সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একবার টাকা উদ্ধার
কলকাতায় ফের একবার যকের ধনের খোঁজ। নিউ টাউনের কল সেন্টারে তল্লাশি চালিয়ে নগদ তিন কোটি ৯৬ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করল পুলিশ। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ তল্লাশিতে বিলাসবহুল একাধিক গাড়িও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও প্রচুর সোনার গয়না, ঘড়ি সহ একাধিক লক্ষাধিক মূল্যের সামগ্রি উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

গত কয়েকদিনে শহরের একাধিক জায়গাতে কখনও লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে তো আবার কখনও কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে খাটের নীচ থেকে। তবে কল সেন্টারের আড়ালে এত টাকা? কীভাবে? কার্যত তাজ্জব তদন্তকারী আধিকারিকরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন আগে ভিন রাজ্যের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে বিধাননগর কমিশনারেটের আধিকারিকরা। তাঁদের কাছ থেকে নগদ ১৩ লাখ টাকা উদ্ধার হয়। বিপুল পরিমাণ এই টাকা কীভাবে কোথা থেকে আসল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেন তদন্তকারীরা। দফায় দফায় ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশ আধিকারিকরা।
দীর্ঘ তল্লাশিতে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে আসে। আর এরপরেই আরও বেশ কয়েকটি জায়গাতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। তল্লাশি চলে লিলুয়ার একটি জায়গাতেও। সেখান থেকে আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর সেখান থেকে এই কল সেন্টারের খোঁজ পুলিশের কাছে আসে বলে জানা যায়।
এরপরেই আজ বুধবার গোটা রাজ্য যখন হোলির উৎসবে মেতে গোটা রাজ্য, সেই সময়ে নিউ টাউনের একটি আবাসনে হানা দেন তদন্তকারীরা। সেখানে থাকা একাধিক কলসেন্টারে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়ে নগদ তিন কোটি ৯৬ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হয় বেশ কিছু কম্পিউটার, ল্যাপটপ।
শুধু তাই নয়, জ্যাগুয়ার, বিএমডাবলুর মতো একাধিক বিলাসবহুল গাড়িও ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। এছাড়াও এছাড়াও প্রচুর সোনার গয়না, ঘড়ি সহ আরও জিনিস উদ্ধার হয়। যার আনুমানিক মূল্যে লক্ষাধিকেরও বেশি হবে বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিপুল পরিমাণ এই টাকা কেন কল সেন্টারে রাখা হয়েছে সেই বিষয়ে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ওই কল সেন্টারে কি কাজ চলে সে বিষয়েও জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারনা ওই কল সেন্টারের আড়ালে আদৌতে হাওয়ালার কারবার চলত। আর বিপুল এই টাকা হাওয়ারলার মাধ্যমে পাচার করার ছক ছিল বলেও মনে করছেন তদন্তকারীরা।












Click it and Unblock the Notifications