মার্কিন মুলুকে প্রধানমন্ত্রী মোদী, কবে-কখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ? দেখুন সফরসূচি
আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বৈঠকে বসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সফর ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দ্বিপাক্ষিক মার্কিন সফর, যা ভারত-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে চলেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠকে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং জ্বালানি সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে গভীর আলোচনা হবে। ভারত ও আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও সুসংহত করার লক্ষ্যে উভয় দেশই এই বৈঠকের জন্য নিবিড়ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

- মোদী-ট্রাম্প বৈঠকের সময়সূচি -
যা জানা যাচ্ছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ আজ আমেরিকায় পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর আগামীকাল অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি, ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউসে, প্রধানমন্ত্রীর দেখা করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। সাক্ষাতের সময় যদিও এখনও জানান হয়নি।
এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেল (ইউটিউব, ফেসবুক, এক্স), ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম এবং হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল পোর্টালে। এছাড়াও, ভারত এবং বিশ্বের শীর্ষ সংবাদ মাধ্যমগুলো এই বৈঠকটি কভার করবে।
মনে করা হচ্ছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা করা হবে। আরও একবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার জন্যে প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানাবেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, উভয় দেশই এই সফর চূড়ান্ত করার জন্য একযোগে কাজ করছে। এই সফর ভারত-মার্কিন বিস্তৃত বিশ্বের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।
নতুন প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে ২৭ জানুয়ারি ফোনালাপে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন। এই বৈঠকটি সেই আলোচনারই সম্প্রসারণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী মোদীর শেষ মার্কিন সফর ছিল ২০১৭ সালের জুন মাসে। তারপর ট্রাম্প ভারত সফরে আসেন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। সাম্প্রতিক সময়ে মোদী-ট্রাম্প-এর ফোনালাপ হয় যথাক্রমে ৬ নভেম্বর, ২০২৪ এবং ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫-এ। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের আগে এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেওয়ার পর।
আর এবার দুই বন্ধু মুখোমুখি হতে চলেছেন আগামীকাল। এই উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উভয় দেশ বিশ্বের স্থিতিশীলতার প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করবে। একই সাথে অভিবাসন নীতি নিয়েও আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications