হাসিনাকে কি তবে ফিরিয়ে দেবে ভারত? মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর ঢাকার চাপ বাড়ছে
বাংলাদেশ ও ভারত সম্পর্কের আকাশে নতুন ঝড়। ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের কাছে জরুরি চিঠি পাঠাল বাংলাদেশ সরকার। চিঠির ভাষা তীক্ষ্ণ.হলেও বার্তা স্পষ্ট প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ভারতের এখন "বাধ্যতামূলক দায়িত্ব" হাসিনাকে ফেরত পাঠানো।
পররাষ্ট্রমন্ত্রকের চিঠিতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল দুজনেই মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত পলাতক আসামি।

বাংলাদেশের স্পষ্ট দাবি এই দুই অভিযুক্তকে অবিলম্বে ঢাকার হাতে তুলে দিতে হবে। প্রত্যর্পণ চুক্তি নাকি এই কাজকে ভারতের জন্য অপরিহার্য দায়িত্বে পরিণত করেছে।
দীর্ঘ বিচার শেষে আদালতের সিদ্ধান্ত ২০২৪ সালের জুলাই ও অগাস্টের ছাত্রনেতৃত্বাধীন অস্থিরতা দমনে নৃশংস দমন অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।
ফল মৃত্যুদণ্ড, সঙ্গে দেশের ভেতর তাঁর সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের আদেশ।
কামালও পেলেন মৃত্যুদণ্ড, প্রাক্তন পুলিশ প্রধান আল মামুনের শাস্তি পাঁচ বছর কারাদণ্ড।
নির্বাসন থেকে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় হাসিনা তোপ দেগেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের দিকে। তার অভিযোগ
রায় দিয়েছে এক "পক্ষপাতদুষ্ট ও সাজানো আদালত"উদ্দেশ্য তাঁকে রাজনৈতিক ময়দান থেকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়া, মৃত্যুদণ্ডের দাবি "উগ্র মহলের খুনে মানসিকতার প্রকাশ"।
তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগকেও "সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন" বলেছেন ও পাল্টা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তাঁর শাসনামলের উন্নয়ন। রোহিঙ্গা আশ্রয়, ১৫ বছরে ৪৫০ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধি, শিক্ষার বিস্তার ও বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া।
ঢাকা চাপে রাখছে, হাসিনা পাল্টা লড়াইয়ের সুর তুলছেন এ অবস্থায় ভারত কোন পথ বেছে নেবে?
প্রত্যর্পণ চুক্তি কি রাজনৈতিক বাস্তবতার কাছে নমনীয় হবে, না কূটনৈতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা করবে দিল্লি?
দুই দেশের রাজনীতির ভবিষ্যত এখন এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মুখে
হাসিনাকে কি সত্যিই ফেরত পাঠাবে ভারত?












Click it and Unblock the Notifications