লোহার চেয়ারে বসিয়ে দেওয়া হতো ইলেকট্রিক শক! ভয়ঙ্কর সেই 'আয়নাঘরে' কী আছে? প্রকাশ্যে আসল ছবি
What is Bangladesh Aynaghar: বাংলাদেশে মসনদ থেকে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছে কয়েকমাস কেটে গিয়েছে! এরপর থেকে একের পর এক অভিযোগ সামনে এসেছে। বিশেষ করে হাসিনার আমলে 'আয়নাঘর' বারবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। কীভাবে সেখানে গুম করে মানুষের উপর অত্যাচার চলত তাও সে দেশের সংবাদমাধ্যমে বারবার প্রকাশ পেয়েছে। এবার সেই 'আয়নাঘরে'র ছবি প্রকাশ্যে আনল ইউনূস সরকার।
আজ বুধবার সকালে দেশ এবং বিদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের নিয়ে এদিন আয়নাঘর (What is Bangladesh Aynaghar) পরিদর্শনে যান মহম্মদ ইউনূস। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভুক্তভোগীরাও। কীভাবে ওই আয়নাঘরে অত্যাচার চলত তা তাঁদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা জানতে চান অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। আর সেই ভয়াবহতা গোটা বিশ্বের সংবাদমাধ্যমে যাতে তুলে ধরা হয় সেই বার্তাও দেওয়া হয়।

শুধু তাই নয়, ওই আয়নাঘরে একটি লোহার চেয়ার দেখানো হয় সমস্ত সদস্যদের। যেখানে অপরাধীদের বসিয়ে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হতো বলে অভিযোগ। চলত আরও মারাত্মক অইভিজগ। সে দেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী পদে শেখ হাসিনা থাকাকালীন ২০০৯ সাল থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০৫ জনকে এই 'আয়নাঘরে' গোপনে বন্দি করে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
Chief Adviser Prof. Muhammad Yunus visited three former torture cells and secret prisons in Dhaka (Agargaon, Kachukhet, and Uttara) on Wednesday. He was accompanied by the Advisory Council, Commission of Inquiry on Enforced Disappearances, victims, and media. #ChiefAdviser pic.twitter.com/DZF1vjd8LX
— Chief Adviser of the Government of Bangladesh (@ChiefAdviserGoB) February 12, 2025
এখানেই শেষ নয়, এই আয়নাঘর'কে নিয়ে আছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সে দেশের আরও এক সংবাদমাধ্যমের দাবি, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩৪৪ জন ব্যক্তিকে গুম করে দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৪০ জন ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। ৬৬ জনকে সরকারি হেফাজতে গ্রেফতার অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আয়নাঘরেই বন্দি ছিলেন, অধ্যাপক মোবাশার হাসান, প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত মারুফ জামান, ব্যবসায়ী অনিরুদ্ধ কুমার রায়, মাইকেল চাকমা ও মীর আহমদ বিন কাসেমসহ অনেকে। যদিও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে এখনও পর্যন্ত কেউ কোনও মুখ খোলেননি।
শুধু তাই নয়, বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকেও জোর করে তুলে আনা হতো বলেও অভিজইগ রয়েছে। যদিও এই আয়নাঘরের কথা দেশের মানুষের কাছে অজানা ছিল। সবার নজর এড়িয়েই এই ঘর চলতো বলে অভিযোগ। গত কয়েকমাস আগে সুইডেনের সংবাদমাধ্যম নেত্র নিউজে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে এসব স্থান 'আয়নাঘর' নামে প্রকাশ্যে আসে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের অনেকে শেখ হাসিনা সরকারের ক্ষমতাচ্যুতির পর আয়নাঘর থেকে ফিরে আসেন পরিবারের কাছে।












Click it and Unblock the Notifications