খামেনেইয়ের উত্তরসূরির নাম আসতেই সতর্কবার্তা! সিংহাসনে বসলেই 'মৃত্যু নিশ্চিত', ইরানকে প্রকাশ্য হুমকি ইজরায়েলের
মার্কিন-ইজরায়েল যৌথ হামলায় ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হয়েছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। ৩৬ বছর ক্ষমতায় ছিলেন ৮৬ বছরের এই নেতা। তাঁর মৃত্যুর পর যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। আর এর মধ্যেই তেহরান নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছে তাঁরই বড় ছেলে মোজতবা খামেনিকে।

নতুন নেতৃত্বের ঘোষণার পরই কড়া বার্তা দেয় তেল আবিব। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ (Israel Katz) স্পষ্ট করে বলেন যে, ইরানের যে কোনও নেতা যদি ইজরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকি অব্যাহত রাখেন, তাহলে তাঁকে নিষ্ক্রিয় করা হবে। তাঁর বক্তব্য, নতুন সর্বোচ্চ নেতাও সেই তালিকার বাইরে নন।
অন্যদিকে আবার ইরানে চলছে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক। খামেনিকে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মসজিদে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পরে তাঁকে নিজের শহর মাশহাদে সমাধিস্থ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
৫৫ বছরের মোজতবার নির্বাচন ইরানের ধর্মীয় পরিষদের মাধ্যমে হয়েছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এই প্রথম বারের জন্য একই পরিবারের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর হল। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের প্রভাব ছিল।
ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় 'হাবিব ব্যাটালিয়ন'-এ স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছিলেন মোজতবা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, সেই সময়ে গড়ে ওঠা সামরিক এবং গোয়েন্দা মহলের যোগাযোগই তাঁর উত্থানে বড় ভূমিকা রেখেছে। যদিও প্রকাশ্যে খুব কমই সক্রিয় ছিলেন তিনি। তবু জানা যাচ্ছে যে, দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার করছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications