পুতিন ইউক্রেনের ১৫ শতাংশ দখল করে নিয়েছেন, ন্যাটো সদস্যপদ পেতে ঝাঁপিয়েছেন জেলেনস্কি
রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে চলে আসছে। এখনও রণেভঙ্গ দেয়নি কোনও পক্ষই। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের ১৫ শতাংশ দখল করে নিয়েছেন বলে দাবি করে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে চলে আসছে। এখনও রণেভঙ্গ দেয়নি কোনও পক্ষই। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের ১৫ শতাংশ দখল করে নিয়েছেন বলে দাবি করে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ঝাঁপিয়েছেন ন্যাটো সদস্যপদ পেতে।

রাশিয়া সাত মাস ধরে যুদ্ধ চালানোর পর যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইউক্রেনের অংশগুলি দখল করার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করেছেন পুতিন। তা যে কোনও মূল্যে রক্ষা করার চ্যালেঞ্জও ছুড়েছেন তিনি। তারপর পুতিন দবি করেছেন তিনি ইউক্রেনের ১৫ শতাংশের উপর রাশিার শাসন ঘোষণা করেছেন।
পুতিনের এই দাবি আবাপর পশ্চিমাদেশগুলি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, এটিই প্রথমবার নয়, এর আগেও রাশিয়া এমন দাবি করেছিল, যা তাদের নয়, তা নিজেদের বলে দাবি করেছিল। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া নিয়ে একই দাবি করেছিল রাশিয়া। আর রাশিয়া যখন ইউক্রেনের ১৫ শতাংশ নিজেদের শাসনে করে নিয়েছে বলে দাবি করছে, তখন জেলেনস্কি ন্যাটোর সদস্যপদ নেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি পশ্চিমাদেশগুলির সামরিক জোটে যোগদান করতে তৎপর। ইউক্রেনকে রাশিয়ার হাত থেকে বাঁচানারো জন্য এটাই একমাত্র পথ বলে তিনি মনে করছেন। ন্যাটোর সদস্যপদ প্রাপ্তির বিষযটি ত্বরাণ্বিত করতে তিনি উদ্যোগী। সে জন্য তিনি আবেদন করেছেন। ন্যাটোর দরজা কড়া নেড়েই চলেছেন।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে সংযুক্ত করে সেই ভূমিরক্ষার বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যে কোনও উপায়ে আমাদের ভূমি রক্ষা করতে হবে। ভূমির দখল করতে রাশিয়া যুদ্ধেও পিছপা হয়নি, এবার ভূমি রক্ষা করতে তাঁরা যেকোনও কৌশল অবলম্বন করতে প্রস্তুত।
শুক্রবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে যুক্ত করার কথা ঘোষণা করেন ক্রেমলিমের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে তিনি বলেন আমরা ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করছি। ইউক্রেনের দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এবার এই ভূমি আমাদের রক্ষা করতে হবে।
পুতিন বলেন, এটি রাশিয়ার জনগণের মুক্তির মিশন। সেই মিশনে আমরা সফল হয়েছি। পরের মিশন এই ভূমি রক্ষা করা। রাশিয়া-প্রতিষ্ঠিত চারটি অঞ্চলের নেতারা এই সপ্তাহে পুতিনের কাছে সংযুক্তির জন্য অনুরোধ করেছিলেন। তাঁরা সবাই জড়ো হয়েছিলেন ক্রেমলিনে। তারপরই বহু প্রতীক্ষিত ঘোষণা এল। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলি তা মানতে নারাজ। এই ঘোষণার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আমেরিকাও।












Click it and Unblock the Notifications