চিনের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই তিব্বতের পাশে ট্রাম্প! বেজিংয়ের দাদাগিরি ঠেকাতে সই নয়া আইনে
চিনের চোখ রাঙানি উপেক্ষা করেই তিব্বতের পাশে ট্রাম্প! বেজিংয়ের দাদাগিরি ঠেকাতে সই নয়া আইনে
বিদায়বেলাতে দাঁড়িয়েও চিনের প্রতি কড়া মনোভাব জারি রাখলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিব্বত নিয়ে দিলেন কড়া বার্তা। এদিকে গত সপ্তাহেই বৌদ্ধ আধ্যাত্মিক নেতা দলাই লামার উত্তরসূরি নির্বাচন নিয়ে একটি বিল পাস করে মার্কিন কংগ্রেস। সোমবার তাতেই সই করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফলে আন্তর্জাতিক মহলে ফের চাপে বেজিং।

চিনের রাস্তায় নতুন কাঁটা আমেরিকা
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই বিলের হাত ধরেই তিব্বতিদের গনতান্ত্রিক অধিকার, তিব্বতের পরিবেশ সংরক্ষণে জোরালো সওয়াল করে আমেরিকা। এবার ওই বিলে ট্রাম্প সই মিলতেই লাঘু হয়ে গেল 'টিবেটান পলিসি অ্যান্ড সাপোর্ট অ্যাক্ট'। এদিকে বর্তমানে নির্বাসনে থেকে ভারতের ধর্মশালায় জীবন কাটাচ্ছেন তিব্বতের ধর্মগুরু দলাই লামা। কিন্তু তাঁকে নিয়ে ভারত-চিন দ্বন্দ্ব নতুন নয়। এবার এই রাস্তায় চিনের নতুন কাঁটা আমেরিকায়।

তিব্বতের মুক্তি আন্দোলন আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন থেকেই তিব্বতের বড় এলাকা জবরদখল করে রেখেছে চিন। চিনের হাত থেকে মুক্তির পথ খুঁজতে এর আগে বিপ্লবের রাস্তাতেও হেঁটেছে দলাই লামা। কিন্তু চিনা আগ্রাসনের মুখে তাঁর বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়লে ১৯৯৫ সালের পর থেকে তিনি ভারতেই রয়েছে। যদিও তারপর থেকে হাজারও চেষ্টা করেও তিব্বতিতে মুক্তি আন্দোলনে ছেদ ফেলতে পারেনি চিন।

মার্কিন আইন প্রত্যাহার চিনা বিদেশ মন্ত্রকের
এমতাবস্থায় এবার, তিব্বতের স্বাধিকার রক্ষায় আমেরিকার সমর্থন মেলায় চিন যে বেশ কিছুটা চাপে পড়বে তা বলাই বাহুল্য। এদিকে, চিনের দাবি, তাদের আভ্যন্তরীণ ইস্যুতে একপ্রকার গায়ের জোরেই নিকি নাক গলাচ্ছে ট্রাম্প সরকার। এমনকী এরআগেই আইন পাশ কথা শোনামাত্র আমেরিকাকে সেি রাস্তা হাঁটা থেকে বিরত থাকার জন্য একাধিকবার হুঁশিয়ারিও দেয় জিনপিং সরকার। তারপরেও চিনের চোখ রাঙানিকে কার্যত পাত্তা না দিয়েই তিব্বতের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে নয়া আইন পাশ করল আমেরিকা।

তিব্বতিদের মানবাধিকার সুনিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা নেবে এই আইন
এদিকে সোমবার আমেরিকার এই কর্মকাণ্ডের কথা আন্তর্জাতিক মহলে চাউর হতেই কড়া প্রতিক্রিয়া মেলে চিনা বিদেশ মন্ত্রকের তরফে। দৃঢ় ভাবে প্রত্যাখ্যানও করা হয় নয়া আইনটিকে। অন্যদিকে নয়া আইনে তিব্বত-কে পৃথক দেশ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সেখানকার প্রধান শহর লাসায় মার্কিন দূতাবাস প্রতিষ্ঠার কথাও বলেছে আমেরিকা। এমনকী এই আইনের হাত ধরে আগামীতে ধর্মীয় স্বাধীনতা, মানবাধিকার, পরিবেশ রক্ষার অধিকারের বিষয়েও জরালো সওয়ার করতে পারবেন তিব্বতিরা, উপকৃত হবেন দেশের নির্বাসিত বাসিন্দারাও, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।












Click it and Unblock the Notifications