ট্রাম্প-মোদীর সাক্ষাৎ-কি প্রভাব ফেলবে চিনের ওপর? কী ইঙ্গিত দিলেন হোয়াইট হাউসের প্রাক্তন কর্মকর্তা
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আসন্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের আগে, হোয়াইট হাউসের একজন প্রাক্তন কর্মকর্তা ভারতকে চীনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে "গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার" বলে অভিহিত করেছেন। লিসা কার্টিস, যিনি ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, তিনি বলেছেন যে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মঙ্গলবার, সেন্টার ফর নিউ আমেরিকান সিকিউরিটি (CNAS) নামের একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্কের আয়োজিত এক অনলাইন প্রেস ব্রিফিংয়ে কার্টিস বলেন, "ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের সাথে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন ভারতকে বিশ্বের উদীয়মান শক্তি হিসেবে বিবেচনা করে, যা ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকে নতুনভাবে রূপ দিতে পারে"।

কার্টিস বলেন, "ভারত সরকার তার কৌশলগত ভিত্তি দৃঢ় করেছে এবং মার্কিন প্রশাসনের পরিবর্তনের প্রতি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে ভারতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, এবং কোয়াড (QUAD) এর ভূমিকাও এতে গুরুত্বপূর্ণ"।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই কোয়াডকে গুরুত্ব দিয়েছে এবং তারই অংশ হিসেবে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রধানমন্ত্রী মোদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করা চতুর্থ রাষ্ট্র প্রধান হতে যাচ্ছেন। এর আগে, ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা এবং জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সাথে বৈঠক করেছেন।
যা জানা যাচ্ছে, আজ সন্ধ্যায় আমেরিকায় পা রাখছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর আগামীকাল অর্থাৎ ১৩ ফেব্রুয়ারি, ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউসে, প্রধানমন্ত্রীর দেখা করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাথে। সাক্ষাতের সময় যদিও এখনও জানা যায়নি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মোদীর এই সফর ভারত-মার্কিন সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং ইন্দো-প্রশান্ত অঞ্চলে ভারতের নেতৃত্বকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications