ভারতের অধীনে থাকা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তিন এলাকা তাদের! ব্যাঙ্কের নোট প্রকাশ করে দাবি নেপালের
ভারত যখন নির্বাচনে ব্যস্ত, সেই সময় ভারতের তিন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাকে তাদের বলে দাবি করল প্রতিবেশী নেপাল। শুক্রবার নেপালের তরফে একশো টাকার যে নতুন নোট প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে ভারতের অধীনে থাকা লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা এবং কালাপানি এলাকাকে বিতর্কিত বলে দাবি করা হয়েছে। এই তিন এলাকা তাদের বলে দাবি করেছে নেপাল।
সরকারি মুখপাত্র জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহল ওরফে প্রচন্ড-র নেতৃত্বে হওয়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেপালের নতুন মানচিত্র ছাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে একশো টাকার নোটে লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা এবং কালাপানিকে তাদের বলে দাবি করেছে নেপাল। সরকারি মুখপাত্র আরও বলেছেন, গত ২৫ এপ্রিল এবং দোসরা মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে একশো টাকার নতুন নোটের নকশা এবং মানচিত্র অনুমোদিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত গত ২০২০-র ১৮ জুন নেপাল তাদের সংবিধান সংশোধন করে তিনটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা এবং কালাপানিকে তাদের রাজনৈতিক মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করে. যা নিয়ে ভারত সরকারের তরফে বীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। বিষয়টিকে ভারতের তরফে একতরফা কাজ বলেও বর্ণনা করা হয়।
ভারচের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় লিপুলেখ, লিম্পিয়াধুরা এবং কালাপানি এলাকা তাদেরই।
ভারতের অধীনে থাকা কালাপানি অঞ্চল দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে কৌশলগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এখানে ভারত, নেপাল ছাড়াও চিনের সীমান্ত মিলিত হয়েছে। কালাপানি নিয়ে মতবিরোধির মূল কারণ হল কালী নদীর উৎপত্তি। নেপালের দাবি কালাপানির পশ্চিমে প্রবাহিত নদীটি হল কালী নদী। যা লিম্পিয়াধুরা বা নিকটবর্তী লিপুলেখ পাস থেকে উৎপন্ন হয়েছে। যা পড়ে নেপালের ভূখণ্ডের মধ্যে।
অন্যদিকে ভারতের যুক্তি হল কালী নদী পঙ্খগড় নামক একটি ছোট নদী থেকে উৎপন্ন হয়েছে। যা কালাপানির দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। এই অঞ্চলের পূর্ব দিকে অবস্থিত পর্বতও প্রকৃত সীমানা।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের চারটি রাজ্য সিকিম, বিহার, উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের সঙ্গে নেপালের প্রায় ১৮৫০ কিমি সীমানা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications