Donald Trump: "ফ্যাসিবাদ চলবে না," আমেরিকাজুড়ে ট্রাম্প সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ; রাস্তায় শয়ে শয়ে মানুষ
Donald Trump: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে জনরোষ। আমেরিকার রাস্তায় নামলেন শয়ে শয়ে জনতা। শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধিতায় প্রতিবাদ দেখালেন কাতারে কাতারে মানুষ। দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসের মসনদে বসেছেন ট্রাম্প। তার ৩ মাস পেরোতে না পেরোতেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পথে প্রতিবাদ আমেরিকাবাসীর।
শনিবার ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, হাউস্টন, ফ্লোরিডা, কলোরাডো থেকে লস অ্যাঞ্জেলস, সর্বত্র ধরা পড়ল প্রতিবাদের ছবি। সরকারি কর্মী ছাঁটাই থেকে শুরু করে বাণিজ্যে শুল্কযুদ্ধের জেরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বেজায় ক্ষুব্ধ আমেরিকার আপামর জনতা। এদিন ম্যানহ্যাটনে বের হয় বিশাল প্রতিবাদ মিছিল। সেখানে যোগ দিয়ে নিউইয়র্কের এক রংমিস্ত্রী বলেন, "ধর্ষণে অভিযুক্তদের হাতে দেশের নিয়ন্ত্রণ চলে গিয়েছে। আমরা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ।"

ওয়াশিংটনেও ন্যাশনাল মল থেকে ট্রাম্প বিরোধী মিছিল শুরু হয়। আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেখানে মানুষ যোগদান করেন। পেশায় বাইক ট্যুর গাইড বছর ৬৪-র ডিয়েন কোলিফ্রথ জানান, "নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে বাসে ও ভ্যানে করে প্রায় ১০০ জন মানুষ এসেছেন এখানে প্রতিবাদ জানাতে। বিশ্বজুড়ে আমাদের বন্ধু দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক নষ্টের জন্য দায়ী এই সরকার। তাই উন্মাদ এই সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মিলিত হয়েছি আমরা।"
আমেরিকার ৫০টি প্রদেশের অন্তত ১২০০টি জায়গায় প্রতিবাদ কর্মসূচি হয় শনিবার। আমেরিকায় ফ্যাসিবাদ চলবে না, এমনই স্লোগান ওঠে প্রতিবাদ মঞ্চ থেকে। প্ল্যাকার্ড হাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মিছিল করেন হাজার হাজার মানুষ। এদিন লস অ্যাঞ্জেলসে প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে ট্রাম্পের গর্ভপাত বিরোধী নীতি নিয়েও প্রতিবাদ জানান এক মহিলা। তাঁর প্ল্যাকার্ডে লেখা, "আমার গর্ভ থেকে বেরিয়ে যাও।" ডেনভারে এক প্রতিবাদীর প্ল্যাকার্ডে লেখা দেখা যায়, "আমেরিকায় কোনও রাজা নেই।"
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকে একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই সংখ্যালঘিষ্ঠ হওয়ার কারণে ট্রাম্পের পদক্ষেপ কোনওক্রমে আটকাতে পারেনি ডেমোক্র্যাটরা। তাই ট্রাম্পের উপর বিরক্ত তাঁরা। সরকারি কর্মীদের ছাঁটাই, অভিবাসীদের ধরে ধরে দেশে ফেরত পাঠানো, জন্মগত নাগরিকত্বের অধিকার বিলোপের চেষ্টা ও বিশ্বব্যাপী শুল্কনীতি নিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়েছে আমেরিকাজুড়ে।












Click it and Unblock the Notifications