বাংলা থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে কেমন পুজো কাটাচ্ছেন প্রবাসীরা?
বাংলা জুড়ে চলছে এখন উৎসবের মেজাজ। একই সঙ্গে গোটা দেশেই চলছে নবরাত্রি উদযাপন। সকলেই মেতে উঠেছেন প্রাণের উৎসবে। এই পাঁচদিনের অপেক্ষায় বছরের বাকি ৩৬০ দিন কাটিয়ে দিতে পারেন সকল বাঙালি। কিন্তু যাঁরা উৎসবের এই স্বাদ থেকে বহুদূরে? তাঁদের মন কেমন করা যে স্বাভাবিক! কেউ হয়তো পড়াশোনা করতে বা কেউ চাকরিসূত্রে, বিদেশের মাটিতে ঘাঁটি গেড়েছেন। দুর্গাপুজো এলেই মন আনচান। তাই তো প্রবাসে বসেই দেশের স্বাদ পাওয়ার চেষ্টা করেন অনেকেই।
কিন্তু ইউরোপের পশ্চিমে, জার্মানির মাটিতে যে সকল প্রবাসী বাঙালিরা রয়েছেন তাঁদের মনের অবস্থা কেমন? দেশ থেকে হাজার কিলোমিটার দূরে ফ্যাকাশে শরৎ শিউলি, কাশ, পদ্ম ছাড়া কেমন কাটান তাঁরা? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই পাওয়া গেল বিরাট বড় সারপ্রাইজ। কারণ সেখানেও এখন ঢাক বাজছে।

শুধু তাই নয়, পঞ্জিকা মেনে সেখানেও হচ্ছে মায়ের বোধন, আবাহন , প্রাণ প্রতিষ্ঠা! ভাবতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। সেখানে রাইন নদীর ধার সাদা কাশে না ঢাকলেও বা নীল আকাশে সাদা পেঁজা তুলোর মেঘ দেখা না দেখা গেলেও ঢাকে পরে গিয়েছে কাঠি। ঠাকুর এসেছেন মণ্ডপে। ধুনুচির ধুনোর গন্ধ আর প্রদীপের আলোয় ভরে উঠেছে পরিবেশ।
টরেন্টোতে ভারত সেবাশ্রম সংঘের দুর্গাপুজো সবরকম বিধি নিয়ম মেনেই অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবার। সেখানে সাজসজ্জা থেকে পুজোর আচার সবকিছুই হচ্ছে নিয়ম মেনেই। ষষ্ঠীর দিন বোধন, আবাহন, সপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান, প্রাণ প্রতিষ্ঠা সবকিছু হয় অত্যন্ত নিয়ম নিষ্ঠার সঙ্গে। সন্যাসী মহারাজারা ছাড়াও সেখানে পুজোয় সামিল হন প্রবাসী বাঙালিরা।
অন্যদিকে জার্মানিতে ঢাকের বোলে সুর তুলেছে সেখানকার প্রবাসী খুদেরাও। এক কথায় বাংলার পুজোর থেকে কোনও অংশে কম যাচ্ছে না বিদেশের পুজো। এতদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুর্গাপুজোর ধুমধাম নিয়ে মাতামাতি হলেও কানাডা বা জার্মানি যে টেক্কা দিতে প্রস্তুত তা বলা বাহুল্য।












Click it and Unblock the Notifications