ফের বিধ্বংসী বন্যার ভ্রকুটি বাংলাদেশে, বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় প্রহর গুনছে ২৩টি জেলার মানুষ
দ্বিতীয় পর্যায়ে ফের বড়সড় বন্যার পূর্বাভাস বাংলাদেশে
২ জুলাইয়ের পর কিছুটা হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বর্তমানে ভারী বর্ষণের জেরে ফের বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি বড় নদীতে জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। এর জেরে কমপক্ষে ২৩ টি জেলায় দ্বিতীয় পর্যায়ে ফের বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ এনামুর রহমান।

একাধিক নদীতে জসস্তর বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে
এদিকে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর জলস্তর স্থিতিশীল থাকলেও গত ২৪ ঘন্টায় তা বাড়তে শুরু করে বলে জানিয়েছে দেশের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। পাশাপাশি মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীগুলির জলস্তরও বাড়ছে বলে জানা যাচ্ছে। বেশ কিছু জায়গায় বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে পদ্মাও গঙ্গা নদীর জলও। আগামী এক সপ্তাহ এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়ছে বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতর।

সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ জেলা
এদিকে গত মাসে শুরু হওয়া বন্যায় ১৫ টি জেলা সর্বাধিক বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা যায়। সর্বাধিক প্রভাব পড়ে জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, বগুড়াতে। বর্তমানে ওই এলাকা গুলি ছাড়ও আরও বড় জায়গা বন্যার কবলে পড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

দুর্যোগ কাটতে এক মাসেরও বেশি সময় লাগতে পারে
এদিকে ১১ জুলাই থেকে গোটা দেশে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আগেই জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ এনামুর রহমান। আগামী একমাস এই পরিস্থিতি চলবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করতে দেখা যায় তাকে। এর মধ্যে আগামী দু-সপ্তাহ প্রচিটি নীদর জলস্তর বেশ কিছুটা বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করতে দেখা যায় আবহওয়া দফতরকেও। ওই জল নামতে আরও দু-পসপ্তাহ সময়ে লাগতে পারে বলে খবর।

কোন জেলায় কত ত্রাণ বরাদ্দ ?
এদিকে এতিমধ্যেই ২৩টি জেলায় দ্রুততার সঙ্গে ত্রাণ পাঠানোর কাছে নেমেছে সরকার। গোটা পরিস্থিতির ভয়াবহতার কথা জানিয়েছে সতর্কবার্তার সঙ্গে চিঠি পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসকদেরও। একইসাথে ২৩ জেলায় চার হাজার ৬০০ মেট্রিক টন চাল ও ৬৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি শিশু খাদ্যের জন্য ৪৬ লক্ষ টাকা ও গো খাদ্যের জন্য ৪৬ লক্ষ টাকা এবং ৪৬ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।












Click it and Unblock the Notifications