আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের বিমানের উপর গুলি চালিয়েছে রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স, বিস্ফোরক দাবি রিপোর্টে

বড়দিনের আনন্দের মাঝেই ঘটে গিয়েছে এক ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা। কাজাখস্তানের অ্যাকটাউ শহরের কাছেই ভেঙে পড়ে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের যাত্রিবাহী বিমানটি। তাতে থাকা ৬৭ জন আরোহীর মধ্যে ৩৮ জনেরই মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রীতিমতো সারা বিশ্বেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে গিয়েছে। আসলে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের বিমানটির মূল দেহেই মিলেছে শ্রাপনেল। অর্থাৎ এটি হল বোমা বিস্ফোরণের সময় ছিটকে যাওয়া ছোট ছোট ধাতুর অংশ। ফলে আপাতত নাশকতার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না কোনও ভাবেই।

দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা বিশেষজ্ঞরা বলছেন রাশিয়ার বাকু থেকে গ্রোজনি যাওয়ার সময় - রাশিয়ান সারফেস টু এয়ার মিসাইল বা বিমান বিধ্বংসী আগুনে "দুর্ঘটনাক্রমে আঘাত" হতে পারে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের দেহে। আর তার জন্যেই ঘটতে পারে এই দুর্ঘটনা।

বিমানে থাকা ৬৭ জনের মধ্যে ৩৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এদের মধ্যে ৬২ জন যাত্রী এবং পাঁচজন ক্রু মেম্বার ছিলেন। ২৯ জন, যারা অল্পের জন্যে রক্ষা পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দু'জন অল্পবয়সী মেয়ে ছিল। তারা ১১ এবং ১৬ বছর বয়সী।

গতকাল থেকেই তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এই বিমান দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে। তবে বিমান বিশেষজ্ঞরা কিছু বিদেশী মিডিয়া রিপোর্টে উদ্ধৃত করেছেন, প্লেনের লেজের অংশে চিহ্নগুলিকে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। ক্ষেপণাস্ত্র থেকে শ্রাপনেলের ক্ষতির আকার খানিকটা এরকমই হয়। তাই বিমান দুর্ঘটনা বিষয়টিতে নাশকতার গন্ধও পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

এও উল্লেখ করা হয়েছে যে আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের বিমানটি এমন একটি এলাকায় উড়ছিল যেখানে ইউক্রেনের ড্রোন কার্যকলাপের খবর পাওয়া গেছে। গ্রোজনি - চেচনিয়ার রাজধানী এবং রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ তৃতীয় বছরে প্রসারিত হওয়ায় কিইভের জন্য এই বিমান হামলা খুব একটা অবাস্তবও নয় বলে মনে করছেন অনেকেই।

আজারবাইজানের বাকু থেকে উড়েছিল আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের এম্ব্রেয়ার ১৯০। এরপর তা রাশিয়ার উত্তর ককেশাসের শহর গ্রোজনির দিকে যাত্রা করে। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, ওই বিমানের গতির অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপরেই কাজাখস্তানের অ্যাকটাউ শহরের কাছে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করানো হয়।

বিমান ভেঙে পড়ার পিছনে যে কারণ রয়েছে, সেই আগুনে রীতিমতো ঘি ঢেলে এক এক্স ব্যবহারকারী। যিনি বলেন যে, বাকু-গ্রোজনি আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের বিমানের উপর গুলি চালিয়েছে রাশিয়ার এয়ার ডিফেন্স। তারা বিমানটিকে ইউক্রেনীয় ড্রোন ভেবে এই ভুল করে ফেলেছে। আর এই জল্পনাই এখন তুঙ্গে। ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের দেহাংশই MH17 বিমানের ভবিতব্যটাকেই স্মরণ করিয়ে দেবে। অন্য এক ব্যবহারকারী বলেন যে, এই বিমানটিকে ভুল করে গুলি করেছে রাশিয়া অথবা ইউক্রেনের এয়ার ডিফেন্স। আসলে শত্রু দেশের ড্রোন ভেবে ভুল করে এই ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছে তারা। অতএব, বিমান দুর্ঘটনায় যে নাশকতার ছক অস্বীকার করার নয়, তা মনে করছেন অনেকেই।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+