Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বরিসের প্রত্যাবর্তন! ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে টোরি সাংসদদের সমর্থন ঋষি সুনকের

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে যোগ্যতা অর্জন করলেন সুনক, ফিরে আসতে চাইছেন জনসন

প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ের জন্য ঋষি সুনক ব্রিটিশ কনজারভেটিভ দলের টোরি নেতাদের সমর্থন সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়েছেন। অনেকেই মনে করছেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে বরিস জনসন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। ছয় সপ্তাহের মধ্যেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস পদত্যাগ করেন। এরপরেই ব্রিটেন জুড়ে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয়। বিরোধী দল বার বার সাধারণ নির্বাচনের ওপর চাপ দিচ্ছে। যদিও ব্রিটিশ কনজারভেটিভ দল নয়া প্রধানমন্ত্রী খোঁজার বিষয়ে বেশি জোর দিচ্ছে।

সুনককে সমর্থন টোরি সাংসদদের

সুনককে সমর্থন টোরি সাংসদদের

সুনক এখনও পর্যন্ত ব্রিটিশ কনজারভেটিভ দলের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও ঘোষণা করেননি। তবে জানা গিয়েছে, সোমবার সময়সীমা পার হওয়ার আগেই ১০০ জন টোরি সাংসদদের কাছ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তাই প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য সুনকের আর কোনও বাধা রইল না। ব্রিটেনের নিরাপত্তা মন্ত্রী টম তুগেনধাত টুইট করে জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার। সেই কারণে তিনি সুনককে সমর্থন করেছেন। প্রসঙ্গত, বরিস জনসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আসার পর তিনি পদত্যাগ করেন। তারপর নিজেও প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে সামিল হতে চেয়েছিলেন।

ফের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে জনসন!

ফের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে জনসন!

সুনক বা বরিস কেউও আনুষ্ঠানিকভাবে জানাননি যে তাঁরা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে জনসন সম্প্রতি ক্যারাবিয়ানে ছুটির দিন কমিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। আগামী সপ্তাহে অলাইনের মাধ্যমেই কনজারভেটিভ দল তাদের নেতা ও দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করবে বলে জানা যাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, শনিবার ব্রিটেনে ফিরে এসেছেন বরিস জনসন। তিনি লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন। বরিস জনসন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তিনি প্রস্তুত।

ব্রিটেন জুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা

ব্রিটেন জুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা

জুলাই মাসে দুর্নীতির অভিযোগে পদত্যাগ করেন বরিস জনসন। তাঁর মন্ত্রিসভার একের পর এক সদস্য পদত্যাগ করলে তিনি ইস্তফা দিতে বাধ্য হন। এরপরেই প্রধানমন্ত্রূী নির্বাচনে চূড়ান্ত পর্যায়ে লিজ ট্রাসের সঙ্গে ঋষি সুনকের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। ঋষি সুনক চ্যান্সেলর থাকার সময় কর বৃদ্ধি করে জনগণের ক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। অন্যদিকে, কর কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হয় লিজ ট্রাস।

পদত্যাগ লিজ ট্রাসের

পদত্যাগ লিজ ট্রাসের

ব্রিটেন প্রবল অর্থনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি লিজ ট্রাস তাঁর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কর কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সিদ্ধান্তের কিছুদিনের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করে নেন। অন্যদিকে, নিজের প্রতিশ্রুতি না রাখার জন্য ক্রমেই ক্ষোভের মুখে পড়েন লিজ ট্রাস। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ৪৫ দিনের মাথায় তিনি পদত্যাগ করেন। তিনি বলেন, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পরার জন্য তিনি পদত্যাগ করছেন।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+