Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ফল ভালো হবে না! তিব্বত নিয়ে ভারতকে অযথা মাথা না ঘামানোর ‘হুঁশিয়ারি’ চিনের

তিব্বত নিয়ে ফের ভারতে নয়া হুঁশিয়ারি দিল বেজিং

জুনের লাদাখ সংঘর্ষের পর দিন যত গড়িয়েছে ততই অবনতি হয়েছে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের। এদিকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় স্থিতাবস্থা ফেরাতে এর আগে একাধিকবার সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরের বৈঠক সেরেছে ভারত-চিন। কিন্তু তারপরেও মেলেনি রফাসূত্র। এমতাস্থায় তিব্বতের পাশে দাঁড়াতে আমেরিকার নয়া আইনের পরেই ভারতের উপর চাপ তৈরি করতে শুরু করেছে চিন। এমনকী তিব্বত ইস্যু নিয়ে ভারতীয় সাংবাদমাধ্যমকে বিশেষ মাথা না ঘামাতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় চিনা দূতাবাসের তরফে। অন্যথায় ইন্দো-চিন সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটবে বলে মত চিনা দূতাবাসের।

ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে তিব্বত সমস্যা ?

ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে তিব্বত সমস্যা ?

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত কয়েকমাসে লাদাখ ঘেঁষা আকসাই চিনে যথেষ্ট পরিমাণে বেড়েছে লালফৌজের গতিবিধি। এদিকে ওই এলাকাকে বরাবরই বিতর্কিত ভূখন্ড বলে দাবি করে এসেছে ভারত। এদিক ভারতের উত্তর ও পূর্বে চিন অধিকৃত তিব্বতের সঙ্গে প্রায় সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। যা নিয়েও গত কয়েকমাসে চিনের সঙ্গে একাধিকবার সংঘাত হয়েছে ভারতের।

 দীর্ঘদিন থেকেই তিব্বত সীমান্তের একাধিক এলাকা জবর দখল করে রেখেছে চিন

দীর্ঘদিন থেকেই তিব্বত সীমান্তের একাধিক এলাকা জবর দখল করে রেখেছে চিন

ভারতের দাবি, ওই সীমান্তবর্তী এলাকার একটা বড় অংশ দীর্ঘদিন থেকে অবৈধভাবে দখল করে রেখে চিন। ভারতের এই দাবির সপক্ষে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে আমেরিকাকেও। ফলস্বরূপ আন্তর্জাতিক মহলে তিব্বত ইস্যুতে এখন অনেকটাই কোণঠাসা চিন। এর এ কথা বুঝেই বর্তমানে দিল্লির উপর পাল্টা চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে বেজিং। খোঁচা দিচ্ছে ২০০৩ সালে তদানন্তীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজয়েপীয়র সঙ্গে চিনের তিব্বত চুক্তির কথা।

 আকসাই চিনেও দাপট বাড়িয়েছে লালফৌজ

আকসাই চিনেও দাপট বাড়িয়েছে লালফৌজ

অন্যদিকে ১৯৬২ সালে ভারত-চিন যুদ্ধের সময় লাদাখ ঘেঁষা আকসাই চিন দখল করে নিয়েছিল চিনের লালফৌজ। পরবর্তী কয়েক দশকে কার্যত কার্যত গায়ের জোর খাটিয়ে প্যাংগং লেকের উত্তরে গালওয়ান উপত্যকা, দেসপাং, গোগরা, থেকে দৌলতবাগ পর্যন্ত এলাকেক নিজেদের বলে দাবি করতে থাকে চিন। চলতি বছরেও যা নিয়ে সংঘাত অব্যাহত। এমতবস্থায় চিন অধিকৃত কাশ্মীরেও আগের থেকে অনেক বেশি চিনা সেনার উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও একাধিকবার সরব হয়েছে ভারত।

ভারত-তিব্বত সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই ক্ষুব্ধ বেজিং

ভারত-তিব্বত সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই ক্ষুব্ধ বেজিং

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ইতিহাস বলছে ১৯০৯ সালে মাঞ্চু সম্রাটের বাহিনী তিব্বত আক্রমণ করলে তৎকালীন দলাই লামা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিল ভারত। যদিও তারপর থেকে বিশ্ব রাজনীতির ময়দানে একাধিক পারাপতন দেখা গেলেও তিব্বতের বড় এলাকা জবরদখল করে রেখেছে চিন। এই চিনা আগ্রাসন থেকে মুক্তি পেতে এর আগে একাধিকবার বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তিব্বতিরা। নেতৃত্ব দেন দলাই লামা।

২০০৩ সালের বাজপেয়ীর চুক্তির কথা মনে করিয়ে খোঁচা

২০০৩ সালের বাজপেয়ীর চুক্তির কথা মনে করিয়ে খোঁচা

কিন্তু বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি কেউই। এমনকী লক্ষাধিক অনুগামী-সহ ভারতে পালিয়ে আসতে বাধ্য হন চতুর্দশ দলাই লামা। তারপরেই হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালায় নির্বাসিত তিব্বতি সরকার গঠনে অনুমতি দেয় ভারত। আর ভারতের এই কাজকেই কঠোর চিন বিরোধী কাজ হিসাবে দেখেন চিনা শাসকরা। তাই তাদের সাফ যুক্তি ২০০৩ সালের বাজপেয়ীর তিব্বত চুক্তি মেনে তিব্বত ইস্যুতে ভারতের নাক না গলানোই উচিত। কারণ তা সম্পূর্ণ ভাবে চিনের ‘অভ্যন্তরীণ' বিষয়।

 তিব্বত স্বাধীন রাষ্ট্রের তকমা পেলে কেমন হত অবস্থা ?

তিব্বত স্বাধীন রাষ্ট্রের তকমা পেলে কেমন হত অবস্থা ?

এদিকে অনেকেই বলেন আদতে তিব্বত যদি আজ স্বাধীন রাষ্ট্র হত, তাহলে এত সমস্যার শুরুই হতনা। কারণ ভারতের সিংহভাগ সীমান্ত তাহলে স্বাধীন তিব্বতের সঙ্গে হত। তিব্বতের উপর বেজিংয়ের দাদাগিরি ঠেকাতে ইতিমধ্যেই মার্কিন সংসদে পাশ হয়েছে 'টিবেটান পলিসি অ্যান্ড সাপোর্ট অ্যাক্ট'। যার কড়া সমালোচনা করেছে বেজিং। কড়া প্রতিক্রিয়া মিলেছে চিনা বিদেশ মন্ত্রকের তরফে। বর্তমান ভারত-চিন সংঘাতের আবহে তিব্বত জল এখন কতদূর গড়ায় সেটাই দেখার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+