নজর রাখা হচ্ছে...আমেরিকা হুঁশিয়ারি দিতেই চুপসে গেলেন ইউনূস? প্রেস সচিবের মাধ্যমেই ভারতকে দিলেন বড় বার্তা
India-Bangladesh: ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ খেতেই খেলা ঘুরে গেল! ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ভালো বলে দাবি করলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের মুখোম্যখি হন। আর সেখানেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে শফিকুল আলম বলেন, 'অন্তর্বর্তী সরকারের এই সাত মাসে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আরও বেড়েছে। আমাদের সম্পর্ক ভালো, তবে ভিসার বিষয়ে কিছু জটিলতা আছে। সে বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রক বলতে পারবে। কিন্তু আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই'।
শুধু তাই নয়, শফিকুল সাহেবের কথায়, অবশ্যই সেটা ন্যায্যতা, সমতা এবং মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক হতে হবে। আর এহেন মন্তব্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। গত কয়েকমাসে নিজেদের দেশের অশান্তির ঘটনাতেও ভারতকে দায়ী করেছে বাংলাদেশ সরকার (India-Bangladesh)।

এমনকী বঙ্গবন্ধুর বাড়ির উপর হামলার ঘটনার ক্ষেত্রেও কার্যত ভারতের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে দেখা যায়। কিন্তু হঠাতই ভোলবদল! প্রধান উপদেষ্টা অর্থাৎ মহম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলমের মুখে ভারতস্তুতি। শুধু তাই নয়, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার বার্তাও দিতে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু হঠাত এমন স্তুতি কেন?
রাজনৈতিকমহলের একাংশের মতে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়ন নিয়ে নতুন করে মুখ খুলেছে আমেরিকা। শুধু তাই নয়, সংখ্যালঘুদের উপর 'অত্যাচারের' ঘটনায় মার্কিন বিদেশ দফতর নিন্দা পর্যন্ত প্রকাশ করেছে। এখানেই শেষ নয়, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এই বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে ওয়াশিংটনের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস জানিয়েছেন, যে কোনও দেশেই সংখ্যালঘু মানুষের উপর অত্যাচার হলে তা নিন্দাযোগ্য।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সমস্ত মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করলে এবং সুরক্ষা দিলে অবশ্যই তা স্বাগত জানাব। পুরো প্রক্রয়ার উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়। আর এরপরেই বাংলাদেশের সরকারের ভারতের এহেন বার্তা চাপের ফলেই বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বড় দায়িত্ব দিওয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যাবতীয় সিদ্ধান্তে পাশে থাকার কথা বলেছেন।
শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই সম্ভবত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা হতে পারে মহম্মদ ইউনূসের। আগামী এপ্রিল মাসে বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন আছে। যেখানে যোগ দিতে পারেন মহম্মদ ইউনূস। এমনকী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও যোগ দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications