মুকুটে নতুন পালক, শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান 'মিত্র বিভূষণ' উপাধিতে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী!
নতুন পালক জুড়লো! শ্রীলঙ্কার ৩ দিনের সফরে শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি 'মিত্র বিভূষণ' প্রদান করেন। এদিন শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমার দিশানায়েকে জানান, "আমি আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, শ্রীলঙ্কা সরকার তাঁকে (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে) শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ সম্মান- শ্রীলঙ্কা মিত্র বিভূষণ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী এই সম্মানের অত্যন্ত যোগ্য; তা আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।"
'মিত্র বিভূষণ' পদক কী?
এটি একটি রূপোর পদক। পদকটি পদ্ম, পৃথিবী, সূর্য, চাঁদ এবং ধানের শীষের প্রতীক সহ নয়টি ধরণের শ্রীলঙ্কার রত্ন (নবরত্ন) দিয়ে সজ্জিত করা হয়। "ধর্মচক্র" যা উভয় জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে রূপদানকারী বৌদ্ধ ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে। ধানের শীষ দিয়ে সুসজ্জিত "পুন কলস" (একটি আনুষ্ঠানিক পাত্র) সমৃদ্ধি এবং পুনর্নবীকরণের প্রতীক।

এরপর "নবরত্ন" (নয়টি মূল্যবান রত্ন) দুই দেশের মধ্যে অমূল্য এবং স্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিনিধিত্ব করে, যা বিশুদ্ধ পদ্মের পাপড়ি দ্বারা বেষ্টিত একটি পৃথিবীর মধ্যে চিত্রিত। অবশেষে, "সূর্য এবং চাঁদ," যা প্রাচীন অতীত থেকে অসীম ভবিষ্যতের দিকে বিস্তৃত চিরন্তন বন্ধনকে নির্দেশ করে। একসাথে, এই উপাদানগুলি দুটি জাতির মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক সংযোগকে সুন্দরভাবে ধারণ করে।
উল্লেখ্য, থাইল্যান্ড সফর শেষ করে শুক্রবার ৩ দিনের জন্য শ্রীলঙ্কা সফরে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী মোদী। এটি তাঁর তৃতীয় মেয়াদে শ্রীলঙ্কায় প্রথম সফর। যার মূল লক্ষ্য, দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, শক্তি, স্বাস্থ্য এবং বাণিজ্য খাতে সহযোগিতা ও ডিজিটালাইজেশন বাড়ানো। এই সফরের সময়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০২২ সালের অর্থনৈতিক সংকটের পর শ্রীলঙ্কা পুনর্গঠনে ভারতের সহায়তার উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
মূলত, দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যেও তিনি এই সফর শুরু করেছেন। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা এজেন্ডায় থাকবে। তিনি ভারতের জাতীয় তাপবিদ্যুৎ কর্পোরেশন (NTPC) এবং শ্রীলঙ্কার সিলন বিদ্যুৎ বোর্ডের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌথ উদ্যোগ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications