Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

খামেনিকে হত্যার ছক ৯০ দিন আগেই! বিস্ফোরক দাবি ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার আবহে সামনে এল এক চাঞ্চল্যকর দাবি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়তুল্লা আলী খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা নাকি তৈরি হয়েছিল অন্তত ৯০ দিন আগেই। এমনই দাবি করেছেন ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে গোপনে বৈঠকও করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

কাটজের দাবি অনুযায়ী, প্রথমে পরিকল্পনা ছিল ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে ইরানের বিরুদ্ধে বড়সড় সামরিক অভিযান চালানোর। সেই অভিযানের মূল লক্ষ্যই ছিল খামেনিকে হত্যা করা। তবে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে থাকায় পরিকল্পনার সময়সূচি এগিয়ে আনা হয়। শেষ পর্যন্ত ফেব্রুয়ারির শুরুতেই হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এক সাক্ষাৎকারে কাটজ আরও জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে জরুরি ভিত্তিতে একটি গোপন বৈঠক ডেকেছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নিরাপত্তা উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকেই স্পষ্ট নির্দেশ দেন নেতানিয়াহু ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে নির্মূল করাই হবে অভিযানের প্রধান লক্ষ্য।

প্রাথমিক ভাবে এই অভিযানে আমেরিকার অংশগ্রহণের কথা ভাবা হয়নি বলেও দাবি করেছেন কাটজ। পরিকল্পনা ছিল, ইজরায়েল একাই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেবে। তবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর ইরানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত অস্থির হয়ে ওঠে। তখনই পুরো পরিকল্পনার কথা জানানো হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কে।

ইজরায়েলের আশঙ্কা ছিল, ইরানের পরমাণু ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ভবিষ্যতে তাদের নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। সেই কারণেই 'সমস্যার মূল'কে আগেই সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে দাবি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর।

কাটজ আরও বলেন, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইরানের বিভিন্ন শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ তীব্র আকার নেয়। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়তে থাকায় ইজরায়েলের আশঙ্কা ছিল, অভ্যন্তরীণ চাপ সামাল দিতে ইরান হঠাৎ করেই ইজরায়েল বা আমেরিকার বিরুদ্ধে হামলা চালাতে পারে। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই অভিযানের সময়সূচি আরও এগিয়ে আনা হয়।

পরবর্তীতে আমেরিকার সঙ্গে সমন্বয় করে পুরো সামরিক পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। ইরান আগে আঘাত হানার সুযোগ পাবে না এই লক্ষ্যেই পরিকল্পনা বদলে ফেলা হয়। শেষ পর্যন্ত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুই দেশ যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে বলে দাবি করেছেন কাটজ।

তার কথায়, হামলা শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যেই খামেনেই নিহত হন। অভিযানের লক্ষ্যভেদ এতটাই নিখুঁত ছিল যে, তাঁর সঙ্গে ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাও প্রাণ হারান।

এই ঘটনার পর থেকেই ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে সামরিক সংঘাত তীব্র আকার নিয়েছে। একের পর এক পাল্টা হামলার জেরে গোটা পশ্চিম এশিয়াজুড়ে তৈরি হয়েছে চরম অস্থিরতা ও উদ্বেগের পরিবেশ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+