দলে দলে অসুস্থ বাংলাদেশিদের চিনে নিয়ে যেতে বড় প্ল্যান! জানেন কেন? সত্যি জানলে আশ্চর্য হবেনই
Bangladesh-China: বাংলাদেশিদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে মূল ডেস্টিনেশন ছিল কলকাতা কিংবা দক্ষিণ ভারতের একাধিক হাসপাতাল। সস্তায় ভালো চিকিৎসার সুবিধা নিতে হাসপাতালগুলিতে ভিড় লেগেই থাকত সে দেশের মানুষের। যদিও পরিস্থিতির সঙ্গেই সময় বদলে গিয়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ একাধিক ইস্যুতে ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্কে একটা বড় প্রভাব পড়েছে। যার ফলে ভিসা দেওয়া আপাতত বন্ধ বাংলাদেশি মানুষের জন্য।
এর ফলে সমস্যায় পড়েছেন অনেকেই। বিশেষ করে চিকিৎসা পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই অবস্থায় নয়া খেলা চিনের (Bangladesh-China) ! বাংলাদেশিদের চিকিৎসার জন্য কুনমিংয়ে চারটি হাসপাতাল ডেডিকেটেড ঘোষণা করল বেজিং। এক্ষেত্রে সে দেশে যাওয়াটা অনেকটাই খরচ সাপেক্ষ। সাধারণ বাংলাদেশিদের সেখানে গিয়ে চিকিৎসা করানোটা চ্যালেঞ্জের। বড় প্ল্যান তৈরি!

জানা যাচ্ছে এই সমস্যা সমাধানে চট্টগ্রাম থেকে কুনমিং রুটে ফ্লাইট চালানোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স। সে দেশের আধিকারিক জানাচ্ছেন, কুনমিং এবং চট্টগ্রামের মধ্যে পরিকল্পিত ফ্লাইটে যাওয়ার ব্যায় এবং ভ্রমণের সময় কমিয়ে আনা হবে। চিনে যাতে আরও বেশি করে বাংলাদেশিররা চিকিৎসা করাতে যেতে পারেন সেদিকে তাকিয়ে একাধিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। তাঁর কথায়, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এবং চিনের মধ্যে নতুন দিগন্ত খুলে যেতে চলেছে আগামিদিনে।
অন্যদিকে চিনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম 'বাংলা ট্রিবিউন'কে জানিয়েছেন, কুনমিং প্রশাসন বাংলাদেশিদের জন্য হাসপাতালের ফ্লোর ডেডিকেটেড করেছে। যেখানে চিকিৎসার ফিও সামান্য। এমনকী স্থানীয় মানুষজন চিকিৎসা করাতে গেলে যে ফি দেন তা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া রোগীরাও একই দেবেন বলেও জানানো হয়েছে। অন্যদিকে বিমান পরিষেবার ভাড়াও যাতে একেবারে সামান্য রাখা হয় তা নিয়েও ঢাকার সিভিল এভিয়েশন আলোচনা চালাচ্ছে বলেও সে দেশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত মাসে একাধিক বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য প্রথমবারের মতো কুনমিং'য়ে যান। তারা সেখানকার হাসপাতালের চিকিৎসাও করান। তবে বাংলাদেশ থেকে চিনে চিকিৎসা করাতে গিয়ে কার্যত চোখ কপালে উঠেছে ওই সমস্ত যাত্রীদের। ওই সংবাদ মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই সমস্ত মানুষরা জানিয়েছেন যাতায়াত খরচ অনেক। ফলে অনেকেই চিকিৎসা করাতে রাজি নন বলেও জানা যাচ্ছে। চিন নয়, বরং কলকাতা কিংবা ভারতের কোনও হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পক্ষেই সে দেশের মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications