আশঙ্কায় দিন গুনছে পাকিস্তান, তার মাঝেই হঠাৎ বাংলাদেশের শরণে ইসলামাবাদ! বড় বৈঠকে কী ষড়যন্ত্র ইউনূসের?
Bangladesh-Pakistan: ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে উত্তেজনা। ইতিমধ্যে ভারতের তিন বাহিনীকে 'পূর্ণ স্বাধীনতা' দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কীভাবে, কোথায় প্রত্যাঘাত তা চূড়ান্ত করবে বাহিনী। আর এরপরেই পাকিস্তানের ঘুম উড়ে গিয়েছে। পাক মন্ত্রীর দাবি, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই ভারতীয় সেনা হামলা চালাবে। কার্যত একই কথা শোনা যায় পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যেও।
এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, গোয়েন্দা সূত্র বলছে ভারত খুব শীঘ্রই হামলা চালাবে পাকিস্তানে। আর সেজন্য পাকসেনাকে হাই অ্যালার্টে রাখা হয়েছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশের ভূমিকা কি হবে সেদিকে নজর সবার।

আর এর মধ্যেই ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ বৈঠক সারলেন বাংলাদেশের বিদেশসচিব এম জসীম উদ্দিনের সঙ্গে। ঢাকায় দুজনের দীর্ঘ এই বৈঠক হয় বলে জানা যাচ্ছে। মনে করা হচ্ছে দুজনের এই বৈঠকে অবশ্যই ভারত পাকিস্তানের মধ্যে চলা উত্তেজনা নিয়ে কথা হয়েছে। যদিও এই বিষয় স্পিকটি নট সে দেশের সরকার।
ওপার বাংলার এক সংবাদমাধ্যমের খবর, সৈয়দ আহমেদ মারুফ এবং বাংলাদেশের বিদেশসচিবের সঙ্গে হওয়া বৈঠকে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দারের বাংলাদেশ সফর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে দু দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করতে বিভিন্ন ইস্যু উঠে এসেছে বলে দাবি। একই সঙ্গে পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা নিয়েও দুই দেশের কুটনৈতিক স্তরে আলোচনা হয়েছে বলে দাবি। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে খবর।
পাশাপাশি ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তেই বাংলাদেশ সফর বাতিল করেছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার (Pakistan Deputy PM Ishaq Dar)। ৭১ সালের পর কোনও পাক উপ-প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে পা রাখতেন। ফলে এই সফল ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ইশাক দার বাংলাদেশে আসছেন না। কবে আসবেন তা নিয়ে যা খবর ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর আলোচনা হয়েছে।
Bangladesh-Pakistan: কোন পক্ষে থাকবে বাংলাদেশ?
গত কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি চাই। আমরা জানি যে ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘদিন সংঘাত সম্পর্ক চলছে। আমরা চাই না এখানে কোনও সংঘাত সৃষ্টি হোক, এই অঞ্চলের মানুষের জন্য বিপদের কারণ হোক। একই সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের বার্তা দেন। এক্ষেত্রে চাইলে বাংলাদেশ মধ্যস্থতায় রাজি বলেও বার্তা দেন তৌহিদ হোসেন। আর এরপরেই পাক হাইকমিশনারের সঙ্গে এই বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications