Opinion: জনপ্রিয়তা হারালেন কানাডার ট্রুডো, নির্বাচিত হয়েছেন ৫০ বছরের সবথেকে খারাপ প্রধানমন্ত্রী
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ভোটারদের মধ্যে তাঁর সমর্থন হারিয়ে ফেলেছেন। এমনই এক সমীক্ষা সামনে এসেছে। এথনই যদি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তবে বিরোধী নেতা পিয়েরে পোইলিভরের কাছে তাঁর পরাজয় নিশ্চিত। সাধারণ ভোটাররা তাঁকে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো খালিস্তানি সন্ত্রাসী হরদীপ সিং নিজার হত্যায় ভারত জড়িত বলে অভিযোগ করেন। এই অভিযোগের জন্য তিনি কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন। সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা অনুযায়ী ভোটারদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ৪০ শতাংশ কানাডিয়ান বিরোধী নেতা পিয়েরে পোলিভেরকে একজন রক্ষণশীলকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। এখন নির্বাচন হলে পোলিভের ৩৯ শতাংশ ভোট পাবে। কানাডার গ্লোবাল নিউজ জানিয়েছে, ট্রুডো ২০১৫ সালে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তারপর থেকে লিবারেল পার্টির নেতৃত্বে সরকার চলছে।
কনজারভেটিভরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করবে ট্রুডো-নেতৃত্বাধীন লিবারেল সংখ্যালঘু সরকারকে পরাজিত করে। এখান উল্লেখ্য, কানাডায় নির্বাচন ২০২৫ সালের শরৎকালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জুলাই মাসে একটি পৃথক সমীক্ষা দেখা গিয়েছে ট্রুডো ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবথেকে খারাপ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
মজার বিষয় হল-তাঁর বাবা পিয়েরে ট্রুডো, যিনি ১৯৬৮ থেকে ১৯৭৯ এবং ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, সিটিভি নিউজ অনুসারে কানাডিয়ান ভোটারদের মধ্যে তিনি সবথেকে জনপ্রিয় ছিলেন। সর্বশেষ সমীক্ষায় ট্রুডোর জন্য উদ্বেগ ধরা পড়েছে।
ট্রুডো সম্প্রতি ভারত সফরে এসেছিলেন। দিল্লিতে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে একটি বৈঠকও করেন। গত কয়েক মাস ধরে উত্তর আমেরিকার দেশটিতে খালিস্তানি কার্যকলাপ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কানাডায় ভারত-বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত কিছু চরমপন্থী গোষ্ঠী নিয়ে ট্রুডোর কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications