Pakistan: অপারেশন সিঁদুরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি পাকিস্তানের, প্রকাশ্যে গোপন রিপোর্ট
"অপারেশন সিঁদুর"-এর সময় ভারতের বিমান হামলায় পাকিস্তানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে প্রকাশ, ভারতীয় বিমান বাহিনীর অভিযানে পাকিস্তানের ৬টি ফাইটার জেট, একটি সি-১৩০ পরিবহণ বিমান এবং একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস হয়েছে। এই তথ্য পাকিস্তানের নিজস্ব গোপন নথি থেকেই উঠে এসেছে।
প্রাথমিকভাবে, ভারত সরকারের তরফে ২০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার কথা জানালেও, পাকিস্তানের এই নথিতে উঠে এসেছে যে ভারত মোট ২৮টি স্থানে হামলা চালিয়েছিল। এর মধ্যে পেশোয়ার, ঝাং, হায়দরাবাদ (সিন্ধ), গুজরাত (পাঞ্জাব), গুজরানওয়ালা, বাহওয়ালনগর-এর মতো নতুন করে প্রকাশিত স্থানগুলিও রয়েছে।

এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া। ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে একটি নৃশংস জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিরাপরাধ ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত এই জবাবদিহিমূলক অভিযান শুরু করে। ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রথমে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর (PoK) এবং পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে। যখন পাকিস্তান পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করে, তখন ভারত তাদের সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের হামলা চালায়, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
ভারতের প্রতিরক্ষা প্রধান (CDS) জেনারেল অনিল চৌহান 'অপারেশন সিঁদুর' প্রসঙ্গে বলেছেন যে, এই অপারেশনের ফলাফলের তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পেশাদার সামরিক বাহিনী তাদের ক্ষয়ক্ষতি দিয়ে নয়, বরং তাদের প্রতিরোধের মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত হয়।
এই অভিযানের পর থেকে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছিল। পাকিস্তান অবশ্য এই বিষয়ে নিজেদের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখার চেষ্টা করছিল। তবে তাদের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ নথিগুলিই এখন এই বিশাল ক্ষতির বিষয়টি সামনে এনেছে।
ভারত সরকার স্পষ্ট করেছে যে, 'অপারেশন সিঁদুর' ছিল সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের একটি সুপরিকল্পিত এবং দৃঢ় পদক্ষেপ। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যা অপরিহার্য ছিল।












Click it and Unblock the Notifications