ভারতকে হুঁমকি দেওয়া নেপালের প্রধানমন্ত্রীর নিজের পার্টিই ভেঙে চুরমার হওয়ার জোগাড়! উত্তেজনা চরমে
মঙ্গলবারের বৈঠক সেভাবে ফলপ্রসূ হয়নি। তবে এরপর বুধবারের বৈঠকের দিকে নজর ছিল নেপালের। সেদেশের কমিউনিস্ট পার্টির দুই বিরোধীপক্ষ দাহাল বনাম ওলি যুদ্ধ গোটা নেপালের রাজনীতিকে তোলপাড় করেছে।পরিস্থিতি এখনও রাজনৈতিক উত্তেজনার দিকে।

ভারতকে হুঁমকি দেওয়া নেপালের প্রধানমন্ত্রীর নিজের পার্টিই ভেঙে চুরমার হওয়ার জোগাড়! উত্তেজনা চরমে
নেপালের রাজনীতিতে আরও এক বড় ভাঙন আসন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন দহল আর ওলির বৈঠকে একটি সমাধান সূত্র এসে পার্টির ভবিষ্যৎ বাঁচিয়ে নেওয়ার পাশপাাশি, নেপালের প্রধানমন্ত্রীর গদি নিয়েও এক বড় দিশা দিতে পারত বলে মনে করছিলেন অনেকেই। তবে বুধবার নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির বৈঠক ভেস্তে যেতেই সমস্যা বাড়ে।

গতি টলমল ওলির
ভারতের সঙ্গে সংঘাতের পর থেকেই নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির একাংশে ওলির বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। ওলির ভারত বিরোধিতা নিজের পার্টির মধ্যেই ভাঙন ডেকে আনছে। এদিন পার্টির স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে ৪৪ সদস্যের সামনে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল ওলির। যে বৈঠকে ৪৪ সদস্যের মধ্যে ৩০ জনই চাইছেন নেপালের মসনদ ছাড়ুন ওলি। কারণ নেপালের হিতে তিনি কোনও কাজ করছেন না।

পার্টি ভেঙে দেওয়ার হুমকি ওলির!
এদিকে ,সূত্রের খবর, ওলি নিজের বিরোধীদের তলে তলে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন, যে যদি তাঁকে নেপালের গতি থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়, তাহলে তিনি পার্টি ভেঙে দেবেন। ২০১৮ সালে গড়ে ওঠা এই পার্টি মসনদের জন্য বিভক্ত করার কথা ভাবতে পাছপা হননি ওলি।

চিন পাকিস্তানের চেষ্টা ওলির গদি নিয়ে
দিকে, ওলির গদি টলমল হতেই ওলি শিবির তার দোষ ভারতের দিকে চাপিয়েছে। অন্যদিকে, ভারত বিরোধিতার গন্ধ পেয়েই ওলিকে সমর্থন জানিয়ে পাকিস্তান থেকে সোজা নেপালে ওলির কাছে ফোন গিয়েছে ইমরানের। অন্যদিকে, চিন থেকে বিশেষ প্রতিনিধি এসে ওলি শিবিরের সঙ্গে বৈঠক করেছে। আর এমন টানাপোড়েনের পরিস্থিতিতে নেপালের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।












Click it and Unblock the Notifications