২০০৬ সালেই বলেছিলাম ২০২০ এর মধ্যে সবথেকে কাছাকাছি আসবে ভারত-আমেরিকা! বৈঠকে বললেন বাইডেন
আফগানিস্তান সহ একাধিক ইস্যুতে কিছুটা হলেও উদ্বেগ বেড়েছে ভারতের। এই অবস্থায় আজ বাইডেনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কি আলোচনা হয় সেদিকেই নজর ছিল গোটা বিশ্বের। এই অবস্থায় আরও কাছাকাছি ভারত-আমেরিকা।
আফগানিস্তান সহ একাধিক ইস্যুতে কিছুটা হলেও উদ্বেগ বেড়েছে ভারতের। এই অবস্থায় আজ বাইডেনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কি আলোচনা হয় সেদিকেই নজর ছিল গোটা বিশ্বের।

এই অবস্থায় আরও কাছাকাছি ভারত-আমেরিকা। বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও মজুব হওয়ার কথা বললেন। শুধু তাই নয়, এই দশকে ভারত এবং আমেরিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও বৈঠকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
বিপুল ভোটে জয় পেয়ে আমেরিকার মসনদে জো বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মার্কিন সফর ছিল। এমনকি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরে প্রথমবার বাইডেনের মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তাও আবার কিনা একটা কঠিন পরিস্থিতিতে।

ফলে বাইডেনের সঙ্গে প্রধাণমন্ত্রীর মোদীর এই বৈঠকে আফগানিস্তান, পাকিস্তান সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে এই বিষয়গুলি সামনে আসেনি। বরং আমেরিকা এবং ভারত বন্ধু ছিল এবং আগামীদিনেও যে থাকবে সেই বার্তাই বিশ্বকে দেওয়া হয়েছে।
প্রায় ১৫-২০ মিনিটের বৈঠক হয় বাইডেন এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে। এরপর সাংবাদিক যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করেন দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। সেখানে বাইডেন বলেন, ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে সম্পর্কের বীজ অনেকদিন আগেই বপন হয়েছ। শুধুব তাই নয়, ভারত এবং আমেরিকার এই সম্পর্ক একাধিক সমস্যার সমাধান করতে পারবে বলেও দাবি মিস্টার প্রেসিডেন্টের।

শুধু তাই নয়, একাধিক গ্লোবাল চ্যালেঞ্জেরও সমাধান তাঁরা করতে পারবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আর তা বলতে গিয়েই মিস্টার প্রেসিডেন্ট ২০০৬ সালের একটি কথাকে তুলে ধরেন। আর সেই প্রসঙ্গ টেনেই বাইডেন বলেন, ২০০৬ সালে আমি বলেছিলাম ২০২০ সালে আমেরিকার সবথেকে কাছের দেশ হবে ভারত। বিশ্বের বহু দেশকে ফেলে তাঁরা এই জায়গা নেবে বলেও নাকি সেই সময় জানিয়েছিলেন বলে এদিনের বৈঠকে জানান বাইডেন।
অন্যদিকে এই বৈঠককে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, আমরা এই শতকের তৃতীয় দশকের শুরুতে মিলিত হচ্ছি। ফলে আপনার নেতৃত্বে আমেরিকা আরও এগিয়ে যাবে। অবশ্যই এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ভারত পালন করবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

শুধু বাইডেন নয়, বৃহস্পতিবার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধাণমন্ত্রী মোদী। সেখানেও ভারতকে আমেরিকার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসাবে ব্যাখ্যা করেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট। আজ সেই বক্তব্যই আরও একবার শোনা যায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের মুখেও।












Click it and Unblock the Notifications