ট্রাম্প জমানা শুরু হতেই ব্যাপক নির্বাসন শুরু মার্কিন মুলুকে, ৫৩৮ জন অবৈধ অভিবাসীকে দেশ ছাড়া করল প্রশাসন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু করতেই সমস্যায় পড়েছেন প্রবাসীরা। প্রবাসী ভারতীয় সহ অন্যান্য দেশের পড়ুয়া থেকে শুরু করে বসবাসকারীরা কার্যত অস্তিত্ত্ব সঙ্কটে ভুগছেন মার্কিন মুলুকে। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন।

যা জানা যাচ্ছে, ব্যাপক অভিযানে মার্কিন কর্তৃপক্ষ ৫৩৮ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে এবং অনেককেই সামরিক বিমানে করে তাঁদের নিজেদের দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

donald trump

হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা তথ্যে জানানো হয়েছে যে এই অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণ-নির্বাসন কর্মসূচি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

  • হোয়াইট হাউসের বিবৃতি

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এদিন এই প্রসঙ্গে বলেন, "আমাদের কর্তৃপক্ষ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী, ট্রেন ডি আরাগুয়া গ্যাংয়ের চার সদস্য এবং নাবালকদের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়া অবৈধ অভিবাসীসহ ৫৩৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে"।

এর সাথেই তিনি আরও যোগ করে বলেন, "ট্রাম্প প্রশাসন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এবং সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হচ্ছে। অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে"।

৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী ভাষণে তিনি সীমান্তে অবৈধ অভিবাসন বন্ধ, সেনা মোতায়েন এবং শরণার্থী ও আশ্রয় সংক্রান্ত নীতি কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দেন। আর দায়িত্বভার গ্রহণ করতেই সেই কাজ শুরু করে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অবশ্য ট্রাম্পের এই বিশাল অভিযান সমালোচনারও শিকার হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের গণ-নির্বাসনের পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। পোপ ফ্রান্সিস এই অভিযানকে "অসম্মানজনক" বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে তিনি সোমবার ট্রাম্পকে তার অভিষেকের জন্য অভিনন্দনও জানিয়েছেন। পোপ ফ্রান্সিস বলেছেন, 'এই ভাবে একটি দেশ থেকে নির্বাসিত করা খুবই অসম্মানজনক ওই বসবাসকারী ব্যক্তিদের জন্যে'। তবে যেহেতু তারা সন্দেহভাজন ছিল, তার জন্য পোপ এই অভিযানকে স্বাগতও জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, শিকাগোর কার্ডিনাল ব্লেসে কুপিচ গণ-নির্বাসনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, "শিকাগো কে লক্ষ্য করে এই ধরনের পদক্ষেপ কেবল গভীরভাবে বিরক্তিকর নয়, এটি আমাদের অত্যন্ত আঘাত করেছে"।

ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির প্রশংসা যেমন কিছু গোষ্ঠী করেছে, তেমনি মানবাধিকার কর্মী এবং আন্তর্জাতিক নেতারা এর কঠোর সমালোচনাও করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই নীতির প্রভাব অভিবাসন সমস্যার চেয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বেশি কাজে লাগাচ্ছেন ট্রাম্প। তবে এই কথায় বেশি আমল দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি নিজের কাজেই ব্যস্ত।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+