রাতেই রাজপথে ট্যাঙ্ক, আকাশে উড়ল সেনা কপ্টার! উত্তাল দেশ, শেষমেশ প্রবল চাপে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রত্যাহার সেনা আইন
South Korea Martial Law: প্রবল জনরোষের মুখে মার্সাল ল অর্থাৎ সামরিক আইন তুলে নিতে বাধ্য হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট (South Korean President)। বুধবার আইন কার্যকর করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেই আইন তুলে নেওয়া হয়। ওই আইনের বিরোধীতা করে সে দেশের জাতীয় সংসদের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সাধারণ মানুষ। এমনকি শাসক-বিরোধী জনপ্রতিনিধিরাও বিক্ষোভে সামিল হন।
একেবারে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। প্রেসিডেন্ট ইউন সক ইয়ল বিশেষ এই মার্সাল ল বা সামরিক আইন কার্যকর করেন মঙ্গলবার রাতে। বিরোধীদের ব্যবহারে হতাশ হয়েই এহেন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। রাষ্ট্র বিরোধী যে শক্তি ক্রমশ মাথাচাড়া দিচ্ছিল তা সামাল দিতেই সেই আইন (South Korea Martial Law) কার্যকর করেন প্রেসিডেন্ট ইউন সক ইয়ল।

কার্যত এই আইন কার্যকর হতেই ময়দানে নেমে পড়ে সে দেশের সেনাবাহিনী। কার্যত কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে প্রবল উত্তেজনা। রাস্তার দখল নেয় সে দেশের সামরিক ট্যাঙ্ক। এমনকি সামরিক বাহিনীর জওয়ানরাও জাতীয় সংসদ সহ একাধিক জায়গা ঘিরে ফেলে।
এমনকি রাতেই আকাশে উড়তে সামরিক হেলিকপ্টারও। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। যদিও জন প্রতিনিধিদের প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় সে দেশের সেনাবাহিনীকে। জাতীয় সংসদে সেনা ঢুকতে গেলে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এমনকি সেনাবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের হাতাহাতি পর্যন্ত লেগে যায়। এমনকি দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষের সঙ্গেও সেনাবাহিনীর সংঘাত তৈরি হয়। সময় যত গড়াতে থাকে বিক্ষোভ-আন্দোলন আরও বৃহত আকার নেয়। ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যেতে থাকে পরিস্থিতি।
South Korea Martial Law: ছয় ঘণ্টার জন্য কার্যকর হয় মার্সাল আইন
বুধবার স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ক্যাবিনেট মিটিং হয়। এরপরেই রাতারাতি এই আইন তুলে নেওয়া হয়। আইন তুলে নেওয়ার পরেই পরিস্থিতি শান্ত হয়। সে দেশের পুলিশ এবং সামরিক বাহিনীকে সমস্ত জায়গা থেকে সরে যেতে দেখা যায়।












Click it and Unblock the Notifications