সব থেকে উষ্ণ ২০২৪-এর মার্চ! বারো মাসের গড় তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ড
এল নিনো কাটিয়ে আমরা এবার লা নিনার দিকে যাচ্ছি। তবে এল নিনোর কারণে এবং মানুষের তৈরি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এই বছরের মার্চ ছিল এখনও পর্যন্ত সব থেকে উষ্ণ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু সংস্থা জানিয়েছে গত বছরের জুন থেকে এই বছরের মার্চ পর্যন্ত টানা দশম মাসে তাপমাত্রা নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।
কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিস জানিয়েছে, মার্চে ১৪.১৪ ডিগ্রি গড় তাপমাত্রা ১৮৫০-১৯০০-এর গড় তাপমাত্রার থেকে ১.৬৮ ডিগ্রি বেশি। ১৯৯১-২০২০-র মার্চের গড় তাপমাত্রার থেকে ০.৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। যা রেকর্ড করা হয়েছে বায়ু ও সমুদ্র পৃষ্ঠ উভয় জায়গাতেই।

- বিশ্বের গড় তাপমাত্রা রেকর্ড সীমায়
সংস্থার তরফে আরও বলা হয়েছে, গত বারো মাসের (২০২৩-এর এপ্রিল থেকে ২০২৪-এর মার্চ) বিশ্বের গড় তাপমাত্রা রেকর্ড সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। যা ১৯৯১-২০২০-র গড় তাপমাত্রা থেকে ০.৭০ ডিগ্রি বেশি। আরও বলা হয়েছে, জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো সারা বছরের বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রির সীমা অতিক্রম করেছে। প্যারিস চুক্তিতে এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
- তাপমাত্রার রেকর্ড বৃদ্ধি
পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১৮৫০-১৯০০ সালের তুলনায় ইতিমধ্যেই প্রায় ১.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি বরফ যুগের আগে প্রত্যক্ষ করা হয়নি। বিশ্বব্যাপী রেকর্ড খরা, দাবানল ও বন্যার পিছনে উষ্ণতা বৃদ্ধিকে কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধিকে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য দায়ী করা হয়। উষ্ণতা বৃদ্ধি বন্ধ করতে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ দ্রুত হ্রাস করা প্রয়োজন।
- এই বছরের দ্বিতীয়ার্ধে লা নিনা
এল নিনোর কারণে মধ্য ও পূর্ব গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্র পৃষ্ঠের পর্যায়ক্রমিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে ২০২৪-এ উষ্ণায়ন নতুন রেকর্ড তৈরি করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটা হলে ২০২৩-এর পরে ২০২৪-এ বিশ্ব জলবায়ুর ওপরে সব থেকে বেশি প্রভাব ফেলবে।
ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী এল নিনো ক্রমেই দুর্বল হলেও মে মাস পর্যন্ত পৃথিবীর বেশিরভাগ মহাসাগরে স্বাভাবিকের ওপরে সমুদ্র পৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্থলভাগের তাপমাত্রাকে স্বাভাবিকের ওপরে নিয়ে যাবে। যা আঞ্চলিক বৃষ্টিপাতকে প্রভাবিত করবে। সঙ্গে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে লা নিনার দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- লা নিনার প্রভাবে ভারতে ভাল বর্ষা
ভারতের ক্ষেত্রে আবহবিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, লা নিনা পরিস্থিতির কারণে জুন থেকে অগাস্টের মধ্যে সময়ে গত বছরের তুলনায় বর্ষা ভাল হতে পারে। এখনও পর্যন্ত দেখা গিয়েছে এল নিনো গড়ে প্রতি দুই থেকে সাত বছরে একবার ঘটে। সাধারণভাবে তা নয় থেকে বারো মাস স্থায়ী হয়। বর্তমানে চালু থাকা এল নিনো ২০২৩-এর জুনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে এবং নভেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে সব থেকে শক্তিশালী ছিল।
-
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications