চিনে ক্ষুধায় মৃত্যু, কর্মহীনতার সঙ্গে লাদাখ সংঘাতের যোগ কোথায়! জিনপিং সাম্রাজ্য কোন পাতাল খুঁড়ছে
চিনে ক্ষুধায় মৃত্যু, কর্মহীনতার সঙ্গে লাদাখ সংঘাতের যোগ কোথায়! জিনপিং সাম্রাজ্য কোন পাতাল খুঁড়ছে
দর্পের সঙ্গে 'বেল্ট অ্যান্ড রোড' উদ্যোগ নিয়ে ময়দানে নেমেছিল চিনের জিনপিং সরকার। যে উদ্যোগের হাত ধরে একের পর এক দেশের মধ্যে বিস্তারের নেশা চেপেছিল জিনপিং সরকারের। কিন্তু এই প্রকল্পের খরচ একাই ধরাশায়ী করে দিয়েছে জিনপিংকে। চিনে নিজেকে নয়া-মাও সেতুং বলে দাবি করা জিনপিং এই প্রকল্পের জেরে সেদেশের যে খরচ করিয়ে ফেলেছেন, তার ফলে গোটা চিন ভুগছে। যার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে রয়েছে লাদাখ সংঘাত। শুধু তাই নয়, আরও কোন কোন ফ্যাক্টর ঘিরে চিন লাদাখ সংঘাতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, দেখে নেওয়া যাক।

আর্থিক দৈন্যদশা!
রিপোর্ট বলছে, চিনের গড় পার ক্যাপিটা প্রবল হারে নিচের দিকে। জিডিপির থেকে ৩০ শতাংশ কমতিতে রয়েছে ঘরোয়া জিনিসের কেনাকাটার বাজার। গোটা চিনের পাইকারি বাজারে কার্যত ধস নেমেছে বলে জানাচ্ছে রিপোর্ট। এদিকে, বিশ্বজুড়ে চিনা দ্রব্য বর্জনের ডাকের জেরে একঘরে হতে শুরু করেছেন জিনপিং।

দলের মধ্যে একঘরে
নিজেকে দলের মধ্যে সর্বেসর্বা করে তোলা জিনপিং ক্রমাগত দলের অন্দরেই অপছন্দের পাত্র হয়ে যাচ্ছেন। সেদেশে করোনার দাপটকে ঘিরে নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা ক্রমাগত বিপাকে ফেলে দিয়েছে জিনপিং সরকারকে। আর তার জেরেই ঘরের অন্দরেই অপছন্দের পাত্র হয়ে উঠছেন জিনপিং।

দেশ জুড়ে খাদ্যাভাব!
বহু চিনা নাগরিকই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে চিনের খাদ্যাভাবের সমস্যা তুলে ধরছেন। যদিও চিনের সরকার তাকে ফেক নিউজ বলে দাবি করছে। তবে সূত্রে র দাবি, চিন এবার খাবার আমদানির পথে হাঁটতে শুরু করবে। যে খবর চিনের জনতাকে ক্রমাগত ক্ষুব্ধ করে তুলছে।

কেন খাদ্যাভাব?
দেশ জুড়ে খাদ্যাভাবের কারণ হিসাবে অনেকেই জিনপিংয়ের খারাপ নীতিকে চিহ্নিত করেছেন। তাঁর ভুল নীতিতে চিনের গ্রামগুলিতে চরম খাদ্যাভাব। যার জেরে মানুষ শহরে আসতে শুরু করেছেন। তবে তাতেও খাবার জুটছে না।

কর্মহীনতা
ক্রমেই চিনে কর্মহীনতা বাড়ছে। তার সঙ্গে কোভিড ১৯ অর জেরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে চিনের বহু করাখানায়। এমন পরিস্থিতিতে জিনপিংয়ের হাতে অর্থনীতিকে তুলে ধরা ও জনতার মুখে খাবার যোগানোর পন্থা বলতে কিছুই নেই। আর উপোরোক্ত সমস্ত কয়টি ফ্যাক্টর সোজাসুজি যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত।

লাদাখ যুদ্ধ ও ফ্যাক্টর
কর্মহীনতা, খাদ্যাভাবের সমস্যা থেকে দেশবাসীকে অন্যমনস্ক করতে যেমন লাদাখ সংঘাত জিনপিংয়ের প্রয়োজন ছিল, তেমনই যুদ্ধ হলেই লালফৌজে নিয়োগের ডাক পড়বে মানুষের , আর তার হাত ধরে কর্মসংস্থানে কিছুটা সুরাহা হবে। এমন ভাবনার বশবর্তী হয়ে চিনের অন্দরে ক্রমাগত কোণঠাসা জিনপিং সরকার ভারতকে আক্রমণের পথে এগিয়েছে বলে দাবি অনেকের।

মে মাস থেকে প্রস্তুতি
মে মাসেই চিনের সেনাকে প্রস্তুত হওয়ার জন্য জিনপিং জোরালো বার্তা দেন। সেই সময় গোটা বিশ্ব জল্পনায় ছিল। তবে মে মাস পার হতেই চিন স্পষ্ট করে দিয়েছে, আসলে সেই সময় চিনের প্রেসিডেন্ট কোন দেশকে আক্রমণের জন্য চিন সেনাকে প্রস্তুতি নিতে বলেছেন।












Click it and Unblock the Notifications