মাঙ্কিপক্স ছড়াচ্ছে ইউরোপ-আফ্রিকায়, অতিমারীতে পরিণত হবে না বলেই মত 'হু'-এর
মাঙ্কিপক্সের নাগাড়ে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি ব্যাপক ভয়ঙ্কর না হলেও আক্রান্ত মানুষের খবর আসছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তাই ব্রিটেন স্বাস্থ্য সংস্থা নির্দেশিকা জারি করেছে যে "মাঙ্কিপক্সে সংক্রামিত কেউ যদি খুব অসুস্থ না হয় তাহলে তারা বাড়িতে বিচ্ছিন্ন ভাবে থাকতে পারে।" অর্থাৎ কোয়ারেন্টাইনের মতো।

কী বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, মাঙ্কিপক্স অতিমারিতে পরিণত হবে না, তবে সংস্থা এও উল্লেখ করেছে যে ভাইরাস সম্পর্কে অনেক কিছু "অজানা" রয়েছে। মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব - যা মে মাসের শুরুতে শুরু হয়েছিল এখন তা ২০ টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ৩০০ টিরও বেশি সন্দেহভাজন এবং পজেটিভ কেস রেকর্ড করা হয়েছে। প্রাদুর্ভাব বাড়ছে এটি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে।

কী জানাচ্ছে ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি ?
ইউকে হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি (ইউকেএইচএসএ) দেশে মাঙ্কিপক্সের ৭১ টি নতুন কেস শনাক্ত করেছে। ইউকে হেলথ এজেন্সি সোমবার নির্দেশিকা জারি করেছে, এই বলে যে "মাঙ্কিপক্সে সংক্রামিত ব্যক্তিরা যদি অন্যদের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ সীমিত করার ব্যবস্থা অনুসরণ করে তবে তিনি যথেষ্ট ভাল থাকবেন, তারা বাড়িতে নিজেঙ্কে আলাদা করে নিতে পারেন।"

হবে না অতিমারি
সোমবার ডব্লিউএইচও বলেছে যে তারা আশা করে না যে মাঙ্কিপক্স ভাইরাস অতিমারীতে পরিণত হতে পারে, তবে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকার করেছে যে এই রোগ সম্পর্কে এখনও অনেক অজানা জায়গা রয়েছে। রোগটি আগে আফ্রিকান দেশগুলিতে সীমাবদ্ধ ছিল। এখন তা অন্যত্রও হচ্ছে।

আফ্রিকার পরিস্থিতি কী ?
কঙ্গোতে মাঙ্কিপক্সে নয় জন মারা গিয়েছে, দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এমনটাই জানিয়েছে। কঙ্গোর সানকুরু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন যে দেশে এই রোগের ৪৬৫ টি কেস নিশ্চিত করা হয়েছে - এটি পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে উঠেছে।
নাইজেরিয়ায় এই বছর মাঙ্কিপক্স রোগের কারণে প্রথম মৃত্যুর খবর মিলেছে। নাইজেরিয়া সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন মোট ৬৬টি সন্দেহভাজন কেসের মধ্যে ২১টি মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের বলে নিশ্চিত করেছে - যা সাধারণত নাইজেরিয়া এবং পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার অন্যান্য অংশেই ছড়িয়েছে বলে খবর মিলছে।
স্পেনে মাঙ্কিপক্স কেসের সংখ্যা বেড়ে ১২২ হয়েছে, স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এমনটাই জানিয়েছে। ব্রিটেন, পর্তুগাল এবং স্পেন প্রাদুর্ভাবে ইউরোপে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির মধ্যে রয়েছে। মহাদেশের অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে যেগুলি কেস রিপোর্ট করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছে বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ইতালি এবং সুইডেন।












Click it and Unblock the Notifications