Israel-Palestine Conflict: গাজায় ইজরায়েলের বসতির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব! ভোটদানে অবস্থান বদল ভারতের
Israel-Palestine Conflict: গত ৩৭ দিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েল-হামাসের যুদ্ধ চলছে। যুদ্ধ থামানোর প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন দেশ। চেষ্টা চালাচ্ছে রাষ্ট্রসংঘও। এরই মধ্যে রাষ্ট্রসংঘে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব পাশ হয়েছে। গাজায় ইজরায়েলের বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে ভারত।
ইজরায়েলর ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, হাঙ্গেরি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ফেডারেটেড স্টেটস অফ মাইক্রোনেশিয়া, নাউরু এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। আঠারোটি দেশ কোনওপক্ষেই ভোট দেয়নি। সব মিলিয়ে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাবের পক্ষে ১৪৫ টি দেশ ভোট দিয়েছে।

রাষ্ট্রসংঘের করা প্রস্তাবে পূর্ব জেরুজালেম, অধিকৃত সিরিয়ার গোলান-সহ ফিলিস্তিতি ভূখণ্ডে সমস্যার সমাধানে ইজরায়েলের পদক্ষেপের নিন্দা করা হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘে ভোট দেওয়ার একটি ছবি শেয়ার করে তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে বলেছেন, ভারত রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়ায় তারা খুশি। তিনি বলেছেন, ইজরায়েল ফিলিস্তিনে অনেক বসতি গড়ে তুলেছে, যা অবৈধ। ইজরায়েলের দখলদারি এখানেই শেষ হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
গত মাসে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে জর্ডন মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাব আনে। সেই সময় ভারত ভোটদানে বিরত ছিল। কারণ সেখানে জঙ্গি গোষ্ঠী হিসেবে হামাসের নাম উল্লেখ ছিল না।
সেই সময় নাগরিক সুরক্ষা, আইনগত ও মানবিক বাধ্যবাধকতা বজায় রাখার বিষয়ে প্রস্তাব নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাশ হয়। ১২০ টি দেশ এর পক্ষে ভোট দিয়েছিল। ১৪ টি দেশ এর বিপক্ষে ভোট দেয়। সেই সময় ৪৫ টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।
এদিকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে বলেছেন, পণবন্দিরা নিরাপদে ফেরত না আসা পর্যন্ত তাঁর দেশ হামলা চালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেছেন, হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরে গাজায় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ফিরে আসার বিরোধিতা করবে ইজরায়েল। তিনি বলেছেন, যুদ্ধের পরেও ইজরায়েল যখনই চাইবে সন্ত্রাসবাদীদের নির্মূল করার ক্ষমতা-সহ সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করবে। কারণ সন্ত্রাসবাদীরা আবার মাথা তুলতে পারে।
নেতানিয়াহু বলেছেন যুদ্ধের পরে গাজায় হামাস থাকবে না। তিনি বলেছেন, ইজরায়েলিদের ঘৃণা করতে, তাদেরকে হত্যা করতে এবং ইজরায়েলকে ধ্বংস করতে প্রশিক্ষণ দেবে এমন কোনও অসামরিক কর্তৃপক্ষ, খুনিদেরকে অর্থ সাহায্য করবে এমন কোনও কর্তৃপক্ষকে সেখানে রাখা হবে না। ঘটনার ত্রিশ দিন পরেও, ভয়াবহ গণহত্যার নিন্দা করবে না, এমন কর্তৃপক্ষ সেখানে রাখা হবে না।












Click it and Unblock the Notifications