আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা?
ইরান দাবি করেছে যে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘাত শুরুর পর এটি তাদের দ্বিতীয় এমন সাফল্য। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান ব্রডকাস্টিং (IRIB) খতম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সকে উদ্ধৃত করে জানায়, যুক্তরাজ্যের আরএএফ লেকেনহিথের (Royal Air Force Lakenheath, UK) একটি স্কোয়াড্রনের বিমানকে নিশানা করা হয়েছিল। যদিও এই দাবির স্বাধীন নিশ্চিতকরণ মেলেনি, ইরানি সামরিক কর্মকর্তারা বলছেন, জেটটি মধ্য ইরানে বিস্ফোরিত হওয়ার পর এর পাইলট সম্ভবত নিহত হয়েছেন।
এর আগে ১৯ মার্চ ইরান একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিল: ইরানি হামলায় একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান আক্রান্ত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের একটি সামরিক ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করেছিল। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করে, চলমান সংঘাতে এটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে উন্নত ও ব্যয়বহুল বিমানের ওপর তাদের প্রথম আঘাত।

তেহরান টাইমস প্রকাশিত একটি ভিডিওতে ১৯ মার্চের সেই ঘটনার মুহূর্ত দেখা যায়, যেখানে ইরানি আকাশসীমায় মার্কিন এফ-৩৫ আক্রান্ত হওয়ার পর বিকট বিস্ফোরণে ধোঁয়া বের হয়ে এটি গতিপথ পরিবর্তন করে। পরে IRGC আরও জানায়, স্থানীয় সময় রাত ২:৫০ মিনিটে তারা বিমানটিকে "আঘাত করে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত" করেছে এবং এর বিধ্বস্ত হওয়ার "উচ্চ সম্ভাবনা" ছিল।
তবে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ১৯ মার্চের ইরানীয় দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানায়, বিমানটি "ইরানের উপর দিয়ে একটি যুদ্ধমিশন পরিচালনা করছিল" যখন এটি জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। ২০ মার্চ সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স নিশ্চিত করেন, "বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে এবং পাইলট স্থিতিশীল অবস্থায় আছেন।" এফ-৩৫ একটি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান, যার মূল্য ১০০ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা) বেশি এবং এটি মার্কিন বিমানশক্তির মূল স্তম্ভ। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘাত তীব্র হলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল উভয়ই ব্যাপক পরিসরে এই বিমান মোতায়েন করেছে।












Click it and Unblock the Notifications