কমলা হ্যারিসের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় খুশি নন সিংহভাগ ইন্দো-আমেরিকান, নেপথ্যে কি কারণ
কমলা হ্যারিসের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় খুশি নন সিংহভাগ ইন্দো-আমেরিকান, নেপথ্যে কি কারণ
ইতিহাসের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোমোক্রাট শিবিরের উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী তথা ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিক কমলা হ্যারিস। কমলাই হলেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ও দক্ষিণ এশীয় আমেরিকান তথা ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকার প্রথম উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী। কিন্তু তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিতে দেখা আমেরিকার সিংহভাগ প্রভাবশালী ইন্দো-আমেরিকান ভোটারদের।

এদিকে অনেকেই বলছেন রিপাবলিকান শিবিরকে ঠেকাতে আসন্ন নির্বাচনে কমলা হ্যারিসকে উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী করে ইতিমধ্যেই মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছেন জো বাইডেন। ভোটে জিতলে ৫৫ বছরের কমলাই হবেন মার্কিন মুলুকের প্রথম মহিলা উপরাষ্ট্রপতি। কিন্তু এই মুহূর্তে সেদেশের প্রায় ৩৯ লক্ষ ইন্দো-আমেরিকান ভোটারদের বেশিরভাগই তাঁর রাজনৈতিক বিচক্ষণতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। বর্তমান অবস্থায় দেখা যাচ্ছে আমেরিকার রিপাবলিকান এবং দ্বিধাবিভক্ত ভোটারদের একটা বড় অংশই মনে করেন কমলা নিজেকে কখনওই ভারতীয় বংশোদ্ভূত নারী হিসাবে বিবেচনা করেন না।
এদিকে এই বিষয়ে বিভিন্ন ভারতীয়-আমেরিকান গোষ্ঠীর সাথে কথা বলার পরে দেখা যাচ্ছে, ইন্দো-মার্কিনী হিসাবে কমলা হ্যারিসের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তারা গর্বিত হলেও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়গুলি পরিচালনার ক্ষেত্রে কমলা হ্যারিসের দক্ষতা নিয়ে তাদের অনেকের মনেই যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এদিকে কমলার বাবা ডোনাল্ড আমেরিকায় এসেছিলেন জামাইকা থেকে। মা শ্যামলা আমেরিকার বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়েছিলেন ভারতের তামিলনাড়ু থেকে। পরবর্তীতে বিয়ের পর সেখানেই করেন তাঁরা থাকতে শুরু করেন বলে জানা যায়। এখন দেশজোড়া বিতর্কের মাঝেই ৩রা নভেম্বরের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলার ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে কিনা এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications