লাদাখ পরিস্থিতির মাঝে সীমান্ত ঘেঁষে কোন কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে চিন, সতর্ক করল পেন্টাগন
লাদাখ সীমান্ত ঘিরে ভারত ও চিনের মধ্যে যে সংঘাত শুরু হয়েছিল, তা আপাতত স্তিমিত হয়ে রয়েছে। এদিকে, চিন যে চার পা পিছিয়ে সাত পা এগিয়ে যেতে পারে সেবিষয়ে আগেই সতর্ক করেছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। দিল্লিও মূলত, চিনের গতিবিধির দিকে তাকিয়ে ছিল বহুদিন ধরে। এমন এক পরিস্থিতিতে মার্কিন মুলুক থেকে পেন্টাগনের তরফে ভারতের জন্য এসেছে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা। সেখানে সীমান্ত ঘেঁসে তিন কোন কাজ করছে তা নিয়ে কার্যত দিল্লিকে সতর্ক করেছে আমেরিকা।

সীমান্ত ঘেঁসে কী করছে চিন!
সীমান্ত এলাকা ঘেঁসে চিন ফাইবার অপটিক নেওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করতে শুরু করে দিয়েছে। গোটা হিমালয় পার্বত্য এলাকা যা চিনের এলাকার মধ্যে রয়েছে সেখানে লাদাখ সীমান্ত ঘেঁসে এই কাজ বেজিং তরান্বিত করছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগনের রিপোর্ট।

পশ্চিম হিমালয়ে নয়া নেটওয়ার্ক
পশ্চিম হিমালয়ে আপাতত পিআরসি ও ভারতের মাঝে সীমান্ত এলাকায় চিনের এই ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক বসানোর অর্থই হল, চিন এই এলাকায় আরও বেশি দ্রুততার সঙ্গে নেটওয়ার্ক ও সংযোগের কাজ করতে চাইছে। উল্লেখ্য, পেন্টাগন চিনের সেনা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত এক রিপোর্টে এই সমস্ত তথ্যের উল্লেখ করে।

চিন কোন সুবিধা পেতে পারে?
উল্লেখ্য়, এমন এক ঘটনায় রিয়্যাল টাইম আইএসআর অর্থাৎ নজরদারি এক্ষেত্রে আরও কড়া করতে উদ্যোগ নিতে পারে চিন। কারণ, ফাইবার অপটিক জোরালে হলে তৎক্ষণাৎ সংযোগ রক্ষা করা সম্ভব হবে চিনের। যা সীমান্তে ভারতের কাছে একটি চ্যালেঞ্জিং ফ্যাক্টর হতে পারে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে। উল্লেখ্য, চিন সংক্রান্ত প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে পেন্টাগন বহু সময়ে একাধিক রিপোর্ট দিয়েছে। এবারও সেই রিপোর্টে একাধিক ইস্যু তুলে ধরেছে পেন্টাগন। উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার বুকে বহুদিন ধরেই ত্রাস হয়ে উঠছে চিন। দক্ষিণ চিন সাগরে নিদের দাদাগিরি ফলাতে বেজিং এর আস্ফালন বহু দেশকেই উদ্বেগে রেখেছে। তাইওয়ান থেকে জাপানের মতো বহু এলাকাই চিনের সামরিক কর্মকাণ্ডে অশনি সংকেত দেখেছে। এদিকে, লাদাখ পরিস্থিতির মাঝে শীতকালের আগেই উত্তরাখণ্ড ও অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন দিক দিয়ে চিনের বহু সেনা বিভিন্ন সময়ে ভারতের বুকে প্রবেশ করে তার মোক্ষম জবাব পেয়ে পিছু হটে যায় বলে জানা যায়। এমন এক পরিস্থিতিতে পেন্টাগনের রিপোর্ট যে তাৎপর্যপূর্ণ তা বলাই বাহুল্য।

পেন্টাগনের রিপোর্টে তাৎপর্যপূর্ণ দিক
পেন্টাগনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনা অতিমারীর মধ্যেও লাদাখ ইস্যুতে আগ্রাসন দেখিয়ে চিনের তরফে আস্ফালন দেখিয়েছে চিন। এর সঙ্গেই করোনা পরিস্থিতির মাঝে চিন যে সীমান্ত বাড়িয়ে নিজের সাম্রাজ্য দখলের প্রবণতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে তা নিয়ে সাফ বার্তা দিয়েছে পেন্টাগন। সীমান্ত আগ্রাসন নিয়ে চিন নিজের মতো পদক্ষেপ গোপনে কার্যকরী করছে বলেও ইঙ্গিত রয়েছে রিপোর্টে।












Click it and Unblock the Notifications