ঐক্য থেকে ভবিষ্যতের জোট, আবুধাবির BAPS হিন্দু মন্দির যেন ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার শিল্পনেতাদের মিলনক্ষেত্র
ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যের শিল্পপতি নেতাদের একত্রিত করে আইকনিক BAPS হিন্দু মন্দিরে এক সন্ধ্যায় IGF Leaders Dinner-এর আয়োজন করা হয়েছিল। বিশ্বের বিভিন্ন প্রাচীন সভ্যতার কাহিনি চিত্রিত রয়েছে এই মন্দিরে। এটি ধর্মীয় ঐক্যের প্রতীক। এটি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও ভারতের ঐক্য ও সাংষ্কৃতিক বোঝাপড়ার যে সমন্বয় তা ফুটিয়ে তোলে।
এই বছরের শুরুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই মন্দিরের উদ্বোধন করেন। শিল্পনেতাদের নৈশভোজে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ভারতীয় রাষ্ট্রদূত সঞ্জয় সুধীর এবং আবুধাবি BAPS হিন্দু মন্দিরের পূজ্য ব্রহ্মবিহারী স্বামী উপস্থিত ছিলেন।

পূজ্য ব্রহ্মবিহারী স্বামী তাঁর বক্তৃতায় বলেন, আপনারা যে যাঁর নিজের জায়গায় সফল, আমি অনুগ্রহ করব, কখনও কখনও নিজের হৃদয়ের কথা শুনুন। তাহলে নেতিবাচকতা ইতিবাচকতায় বদলে যাবে। এই মন্দির শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহইয়ানের বদান্যতায় ছাড়া তৈরি হতো না। এটাই প্রমাণ যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সৌহার্দ্য থাকলে কত বড় কিছু অর্জন করা সম্ভব।
ভারতীয় রাষ্ট্রদূত সঞ্জয় সুধীর বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর অন্যতম দ্রষ্টব্য স্থান হল এই মন্দির। এই মন্দির সম্প্রীতির প্রতীক। এই মন্দির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শিতার প্রমাণ। ২০১৫ সালে ঘোষণার পরে ২০২৪ সালে এর উদ্বোধন করেন তিনি।
IGF এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মনোজ লাডওয়া বলেন, বিশ্বাসই আমাদের বেঁধে রেখেছে। এটাই ভারত-সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সম্পর্কের মূলধন। এর ওপর ভিত্তি করেই দুই দেশের বন্ধুত্ব এগিয়ে চলেছে ও আরও দৃঢ় হয়েছে। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের গভীর বন্ধুত্ব দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফয়জল কোট্টিকোল্লন, সুহেল শেঠ, লিয়েন্ডার পেজের মতো খ্যাতনামা ব্যক্তিত্বরা। ফয়জল কোট্টিকোল্লন বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়ুর্বেদের উল্লেখ করেন। শারীরিক ও মানসিক শক্তির ওপরে জোর দেওয়ার কথা বলেন। সুহেল শেঠ বলেন, BAPS হিন্দু মন্দির আদতে হিন্দু ও ভারতীয় জীবনশৈলীর প্রতিবিম্ব। এই মন্দির আক্ষরিক অর্থেই মরুভূমিতে মরুদ্যান। লিয়েন্ডার পেজ বলেন, খেলাধূলা ঐক্যের অন্যতম বড় মাধ্যম। টেনিস বল কোনও ভাষা বোঝে না। ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটা সৌভাগ্যের।
সীমাহীন দিগন্ত থিমে IGF ME&A ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার শিল্পনেতা, নীতি নির্ধারক, বিনিয়োগকারী ও আরও খ্যাতনামা ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল- গ্লোবাল পার্টনারশিপ, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, পরিবেশ সহ নানা থিমের মধ্য দিয়ে জোট বেঁধে নতুন সুযোগ তৈরি করা।
ইন্ডিয়া গ্লোবাল ফোরাম (IGF) নতুন ভারতের কথা বলে। ভারত যে গতিতে ছুটছে তা গোটা বিশ্বের কাছে বিস্ময়ের। বিভিন্ন দেশের মধ্যে ব্যবসার ক্ষেত্রে IGF একটি গেটওয়ের কাজ করে।












Click it and Unblock the Notifications