আতশবাজি, প্রার্থনা আর আশার আলোয় বিশ্বজুড়ে ২০২৬ কে স্বাগত
নতুন বছর ২০২৬ এর সূচনা ঘিরে বিশ্বজুড়ে এক অনন্য উৎসবের আবহ তৈরি হল। সময়ের কাঁটা যখন মধ্যরাত ছুঁয়েছে, তখন একের পর এক দেশ নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে আতশবাজির রোশনাই, ঐতিহ্যবাহী আচার ও নীরব প্রার্থনার মধ্য দিয়ে।
ভারতেও নতুন বছরের প্রথম প্রহর ছিল উচ্ছ্বাসে ভরা। দিল্লির ইন্ডিয়া গেট, কনট প্লেসের মতো জনপ্রিয় এলাকায় ভিড় উপচে পড়ে। নিরাপত্তা ও যান নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় কড়া ব্যবস্থা, রাজধানী জুড়ে মোতায়েন করা হয় প্রায় ২০ হাজার পুলিশকর্মী।

বিশেষ নজরদারি চলে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো ও বাইক স্টান্টের মতো অপরাধ রুখতে। দক্ষিণে বেঙ্গালুরুতে এমজি রোড ও ব্রিগেড রোডে মানুষের ঢল নামে, আকাশজুড়ে ফুটে ওঠে আতশবাজির রং।
উত্তরে কাশ্মীর উপত্যকায় পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সাম্প্রতিক তুষারপাতে গুলমার্গ, পাহেলগাম ও সোনামার্গে পর্যটকের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। লালচকের ঐতিহাসিক ক্লক টাওয়ারের কাছেও নতুন বছরের উদযাপন চলে।
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ২০২৬ এ পা রাখে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র কিরিবাতি। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার কাছে অবস্থানের কারণে কিরিতিমাতি দ্বীপে (ক্রিসমাস আইল্যান্ড) মধ্যরাত হতেই শুরু হয় উৎসব। এরপর নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে স্কাই টাওয়ার থেকে আতশবাজির প্রদর্শনীর মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়, যদিও বৃষ্টির কারণে কিছু অনুষ্ঠান বাতিল করতে হয়।
অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই এগিয়ে যায় নববর্ষের অনুষ্ঠান। বন্ডাই বিচে সাম্প্রতিক মর্মান্তিক হামলার স্মৃতিতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় ও সিডনি হারবার ব্রিজে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদর্শিত হয়। পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় উৎসবের রূপ ছিল বৈচিত্র্যময়। জাপানে মন্দিরে ঘণ্টাধ্বনির মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী নববর্ষ পালন হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে আলো ও কাউন্টডাউন, সিঙ্গাপুরে জাঁকজমকপূর্ণ আতশবাজি। তবে ইন্দোনেশিয়ার কিছু এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সংহতি জানাতে উৎসব ছিল সংযত।
দুবাইয়ে বরাবরের মতো বুর্জ খলিফাকে কেন্দ্র করে আলো, সঙ্গীত ও আতশবাজির নজরকাড়া প্রদর্শনী হয়। ইউরোপে গ্রিস ও সাইপ্রাসে কম শব্দের পাইরোটেকনিক্স ও ড্রোন শো আয়োজন করা হয়। লন্ডনে বিগ বেনের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে টেমস নদীর তীরজুড়ে আতশবাজিতে আলোকিত হয় আকাশ।
লাতিন আমেরিকায় ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে সমুদ্রতটে উৎসব, সঙ্গীত ও ঐতিহ্যবাহী সাত ঢেউ টপকে সৌভাগ্যের কামনায় মেতে ওঠেন মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে ঐতিহ্যবাহী বল ড্রপের প্রস্তুতি চলে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে। তবে আনন্দের মাঝেও কোথাও ছিল আশার আর্তি। গাজায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা নতুন বছরে যুদ্ধের অবসান কামনা করেছেন। বহু মানুষ এখনও শিবিরে বসবাস করছেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই তাঁরা ২০২৬ এর দিকে তাকিয়ে।
এভাবেই আতশবাজির আলো, প্রার্থনার নীরবতা আর নতুন আশার বার্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে শুরু হল আরেকটি নতুন বছর ২০২৬।
-
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
কেন্দ্রের তরফে আমলাদের রদবদল, প্রায় তিন ডজন শীর্ষ আধিকারিকের নতুন দায়িত্ব ঘোষণা -
ইরান নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা, কী ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট? -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
কালবৈশাখীর দাপট অব্যাহত! বৃষ্টির সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়ছে গরম, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া? জানুন -
২৯৪ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করল কংগ্রেস, শ্রীরামপুরে লড়ছেন শুভঙ্কর সরকার -
এবার একটা বড় খেলা হবে, নানুরে মন্তব্য মমতার -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই ফের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করলেন নরেন্দ্র মোদী, কী নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী? -
NASA-র বড় পরিকল্পনা! ৫০ বছর পর ফের চাঁদের পথে মানুষ, কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই নতুন মিশন? জানুন -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
মমতা বনাম শুভেন্দু লড়াইয়ে যোগ শাহের, ভবানীপুরে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications