খামেনির প্রাণসংকটের আশঙ্কা! জরুরি পরিস্থিতিতে ইরানের হাল ধরতে প্রস্তুত বিশ্বস্ত লারজানি
ইরানের ক্ষমতার করিডরে নীরব কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ এক প্রস্তুতি। শত্রুপক্ষের হামলা বা গুপ্তহত্যার আশঙ্কা মাথায় রেখেই ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের রূপরেখা তৈরি করে ফেলেছেন দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়তুল্লা আলী খামেনি। পরিস্থিতি চরমে পৌঁছালে বা তিনি নিহত হলে, দেশের দায়িত্ব কাদের কাঁধে যাবে সেই প্রশ্নের উত্তরও নাকি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
চলতি বছরের জানুয়ারিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক গণবিক্ষোভ, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও আমেরিকার সঙ্গে তীব্র কূটনৈতিক উত্তেজনার আবহে খামেনেই তাঁর বিশ্বস্ত মহলকে নিয়ে বিকল্প ক্ষমতার কাঠামো গড়ে তোলেন।

এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন খামেনেইয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আলি লারজানি। ইরানের ক্ষমতার বলয়ে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ লারজানি। অতীতে তিনি প্রভাবশালী নিরাপত্তা ও সামরিক দায়িত্ব সামলেছেন ও বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নীতি নির্ধারণকারী সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের নেতৃত্বে রয়েছেন।
তেহরানের একাধিক সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, জরুরি পরিস্থিতিতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব লারজানির হাতেই ন্যস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনের আরও কয়েকজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিকেও দায়িত্ব বণ্টন করে রাখা হয়েছে।
বর্তমানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে খামেনেইয়ের এই বিকল্প নেতৃত্ব কাঠামো ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে, প্রশাসনিক ক্ষমতার ভারসাম্যে কি কোনও পরিবর্তন আসতে চলেছে? বিশ্লেষকদের মতে, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার আস্থাভাজন হিসেবে লারজানির উত্থান প্রেসিডেন্টের কার্যকর ভূমিকাকে কিছুটা আড়াল করতে পারে।
গত বছরের শেষ দিক থেকে ইরানে খামেনি বিরোধী বিক্ষোভ জোরদার হয়। জানুয়ারিতে তা আরও তীব্র আকার নেয়। ওই বিক্ষোভে প্রকাশ্যে সমর্থন জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা তেহরান ওয়াশিংটন সম্পর্ককে আরও তপ্ত করে তোলে।
এই পরিস্থিতিতেই খামেনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, তিনি গুপ্তহত্যার লক্ষ্য হতে পারেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছয় ইরানি আধিকারিকের দাবি, সম্ভাব্য হামলা বা শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যুর পরেও যেন রাষ্ট্রীয় কাঠামো অটুট থাকে ও আমেরিকা বা ইজ়রায়েলের সামরিক আঘাতের মোকাবিলা করা যায় সে জন্যই এই প্রস্তুতি।
তেহরান ভিত্তিক রক্ষণশীল বিশ্লেষক নাসের ইমানি এক সাক্ষাৎকারে জানান, খামেনি দীর্ঘদিন ধরেই লারজানির উপর আস্থা রেখে চলেছেন। তাঁর কথায়, "এই সংবেদনশীল সময়ে লারজানিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি বলে মনে করেন সর্বোচ্চ নেতা।"
ইরানের রাজনীতিতে এখন এক অদৃশ্য প্রস্তুতির সময়। প্রকাশ্যে ক্ষমতার বদল না হলেও, অন্দরে তৈরি হচ্ছে বিকল্প নেতৃত্বের কাঠামো, যাতে শীর্ষে আঘাত এলেও রাষ্ট্রযন্ত্র থেমে না যায়। মধ্যপ্রাচ্যের এই স্পর্শকাতর ভূরাজনীতিতে তাই প্রশ্ন একটাই সংকট এলে কোন হাতে থাকবে তেহরানের হাল?
-
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
মালদহের ঘটনা তৃণমূলের পরিকল্পিত ও সংগঠিত, কালীঘাটে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ ব্যক্ত করে দাবি শুভেন্দুর -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি











Click it and Unblock the Notifications