ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি ঘুম কেড়েছে, ভারতীয়-মার্কিনিরা ঝুঁকেছেন বাইডেনের দিকে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বাকি আর মাত্র রয়েক দিন এহেন পরিস্থিতিতে ফের ভারতীয় বংশদ্ভূত ভোটরাদের নিজের দিকে টানতে উদ্যত হলেন ডোমোক্র্যাটদের তরফের প্রেসিডেন্ট পদ প্রার্থী জো বাইডেন। এদিন ভারতীয়-মার্কিনিদের উদ্দেশে বলেন যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসী বিরোধী নীতির জেরেই মার্কিন মুলুকে ভারতীয়দের উপর হামলার ঘটনা বেড়েছে।

ভারতীয় মার্কিনিদের ভোট টানতে মরিয়া
প্রথম থেকেই ভারতীয় মার্কিনিদের নিজের দিকে টানতে উঠে পড়ে লেগেছিলেন জো বাইডেন। এই কারণেই কমলা হ্যারিসকেও নিজের রানিং মেট বানিয়েছিলেন বাইডেন। এদিকে নির্বাচনী প্রচারে নামার আগেই অভিবাসী নীতি নিয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছিলেন ট্রাম্প। এই ইস্যুতে সুপ্রিমকোর্টের কাছে মোথা নোয়াতে হয় তাঁর প্রশাসনকে।

অভিবাসী নীতি নিয়ে ধাক্কা খান ট্রাম্প
সুপ্রিমকোর্ট রায় দিয়ে জানায়, যেসব অভিবাসী ডিএসিএ-তে নিবন্ধিত রয়েছেন, তাঁদেরকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো যাবে না। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে, ডিএসিএ-এর আওতাভুক্তদের মধ্যে ভারতের ২ হাজার ৬৪০, বাংলাদেশের ৪৯০ ও পাকিস্তানের ১ হাজার ৩৪০ জন রয়েছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই শিশুরা তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে ভিজিট ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন।

ফেল ট্রাম্প-মোদী বন্ধুত্ব
এর আগে বারবার দেখা গিয়েছে মোদীর সঙ্গে নিজের বন্ধুত্বে ফায়দা তুলে ট্রাম্প আমেরিকায় থাকা ভারতীয় বংশদ্ভূত ভোটারদের নিজের কাছে টানতে চেয়েছেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিবাসন নীতির কারণে তিনি ভারতীয় বংশদ্ভূতদের কাছে জনপ্রিয়তা হারান। ৭৭ বছর বয়সী বাইডেনের সঙ্গে ৭৪ বছর বয়সী ট্রাম্পের লড়াইয়ে ভারতীয় বংশদ্ভূত ভোটাররা বড় ভূমিকা পালন করতে চলেছে, তা স্পষ্ট।

রাজনৈতিক ভাবে কোণঠাসা হয়েছেন ট্রাম্প
বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক ভাবে কোণঠাসা হয়েছেন ট্রাম্প। জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু থেকে শুরু করে করোনা পরিস্থিতিতে নাজেহাল রিপাবলিকান প্রশাসন। তার উপর বেকারত্ব তো রয়েছেই। এরই মাঝে ট্রাম্পের অভিবাসী নীতি ঘুম কেড়েছে সেদেশে থাকা ভারতীয়দের। এহেন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের থেকে মুখ ঘুরিয়ে ডেমোক্র্যাটদের দিকে যাচ্ছেন ভারতীয় ভোটাররা।

কে এগিয়ে?
এদিকে নির্বাচনের আগে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পপুলার ভোটের নিরিখে সমীক্ষা অনুযায়ী ৫৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক জো বাইডেনকে সমর্থন করছেন। এদিকে ট্রাম্পের ঝুলিতে মাত্র ৪২ শতাংশ সমর্থন। মাত্র ১৮ দিনের মধ্যে এই পার্থক্য ডোনাল্ড ট্রাম্প মেটাতে পারবেন বলে মনে করছেন না কোনও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞই।












Click it and Unblock the Notifications