উষ্ণতম মাস জুলাই, ভিলেন কিন্তু এল নিনো নয়, আসল কারণ তাহলে কী? চমকে গিয়েছেন বিজ্ঞানীরাও
উষ্ণতম মাস জুলাই। সিলমোহর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বারবার এই উষ্ণতার নেপথ্যের কারণ হিসেবে এল নিনো এবং জলবায়ু পরিবর্তনের উপরেই দায় বর্তায়। কিন্তু এবার আবার অন্য কথা বলছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে জলবায়ু পরিবর্তন এবং এলনিনো কিন্তু ভিলেন নয়।
জুলাই মাসে রেকর্ড তাপমাত্রা বৃদ্ধির নেপথ্যে কাজ করছে অন্যকোনও কারণ। বিজ্ঞানীরা বলছেন জ্বালানির অত্যধিক ব্যবহারের কারণেই এই তাপমাত্রা বাড়ছে। এতোদিন এই আসল কারণটি এলনিনো আর জলবায়ু পরিবর্তনের আড়ালে চলে যাচ্ছিল। কিন্তু এবার ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে আসল সত্যিটা।

জুলাই মাসে একাধিক জায়গার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েিছল। ইরানে তার জন্য ২ দিন ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। ইউরোপের একাধিক জায়গা ইতালি, গ্রিস , স্পেন, পর্তুগালে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছিল। তাপপ্রবাহ শুরু হয়ে গিয়েছিল ইউরোপে। এমনই কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সেখানে। ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয়েছিল সেখানকার বাসিন্দাদের। শীত প্রধান দেশ ইউরোপের ইতালি,স্পেন, পোর্তুগালস গ্রিস রোমের মতো দেশ। সেখানে এখন ফ্যান আর এসির বিপুল চাহিদা।
জুলাই মাসে তাপমাত্রা যেমন অত্যধিক অনুভূত হয়েছে তেমনই সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা রেকর্ড হারে বেড়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বাড়ার কারণেই এই চরম পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন ইউরোপের একদল বিজ্ঞানী। তাঁরা দাবি করেছেন গত কয়েক বছরে সমুদ্রের ১৫০ মিলিয়ন মেট্রিক টন জল একটি আগ্নেয়গিরির মাধ্যমে বাতালে বাস্পের আকারে মিশেছে।
সমুদ্রে দূষণ মারাত্মক আকারে বেড়েছে। মালবাহী জাহাজের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় প্রচুর পরিমানে জ্বালানির বর্জ্য সমুদ্রে গিয়ে মিশেছে। তাতে সূর্যের তেজ পড়ে দূষণ আরও কয়েক মাত্রায় বাড়িয়ে দিচ্ছে। নাসার বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন ২০২০ সালে ৮০ শতাংশ এই জ্বালানির বর্জ্য সমুদ্রে মিশেছে। তার জেরে সালফার পলিউশন তৈরি হয়েছে। তার জেরে মেঘ কম তৈরি হচ্ছে। সেকারণে উত্তর আটলান্টিক এবং উত্তর স্পেসিফিক রিজিয়ন এবার বেশি গরম হয়ে উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications