US China Tariff War: "যুদ্ধ চাইলে যুদ্ধই হবে, চিন ভয় পায় না," ট্রাম্পকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ল জিনপিংয়ের সরকার
US China Tariff War: চিনা পণ্যে ২০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করেছে আমেরিকা। মঙ্গলবার থেকেই তা কার্যকর হয়েছে। আমেরিকার বেশকিছু মার্কিন কৃষিজাত পণ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপিয়েছে বেজিংও। বুধবার আমেরিকাকে সরাসরি হুঁশিয়ারি চিনের। শুল্ক যুদ্ধ হোক বা অন্য যেকোনও প্রকার যুদ্ধ হোক, তারা লড়তে রাজি বলে সাফ জানিয়ে দিল চিন।
চিনের বিদেশমন্ত্রকের এক মুখপাত্র এদিন এক্স হ্যান্ডেলে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, "চিনের সঙ্গে ভয় দেখিয়ে বা হেনস্থা করে পাঙ্গা নেওয়া যাবে না। চিনের উপর শুল্ক বাড়ানোর জন্য সিনেমার কায়দায় অজুহাত দেওয়া হচ্ছে। আমরাও পাল্টা প্রতিরোধে আইন মেনে দরকারি পদক্ষেপ নিয়েছি। আমেরিকায় ফেটানাইল বিপর্যয়ের জন্য ওরা নিজেরাই দায়ী। আর কেউ নয়।"

পোস্টে চিনের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, "আমেরিকার বিপর্যয়ে আমরা সাহায্যের চেষ্টা করেছিলাম। তা স্বীকার না করে উল্টে চিনকে দোষারোপ করতে উঠেপড়ে লেগেছে আমেরিকা। শুল্কের খাঁড়া চাপিয়ে চিনের উপর চাপ সৃষ্টি করে প্রতারণা করা হচ্ছে। সাহায্য করার জন্য উল্টে শাস্তি দিচ্ছে আমেরিকা। এতে ওদের নিজেদের সমস্যা মিটবে না বরং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অবনতি হবে।"
প্রসঙ্গত, গত ৪ ফেব্রুয়ারি চিন থেকে আমদানিকৃত পণ্যে প্রথমে ১০ শতাংশ ও পরে ২০ শতাংশ শুল্ক চাপায় আমেরিকা। আর এবার বেশকিছু মার্কিন কৃষিজাত পণ্যে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপিয়েছে বেজিং। চিনের অর্থমন্ত্রক মঙ্গলবার এক বিবৃতি জারি করে একথা ঘোষণা করেছে।
জানা গিয়েছে মুরগীর মাংস, গম, ভুট্টার উপর ১৫ শতাংশ শুল্ক বসিয়েছে চিন। সোয়াবিন, শূকরের মাংস-সহ অন্যান্য বেশকিছু পণ্যে চাপানো হয়েছে ১০ শতাংশ শুল্ক। গত সপ্তাহেই চিনা পণ্যে আরোপিত মার্কিন শুল্ক কার্যকর হয়ে গিয়েছে। আর এবার চিন আমেরিকার শুল্ক যুদ্ধে নতুন অধ্যায়। কর্মফল ভোগ করতে হবে আমেরিকাকে। আগামী ১০ মার্চ থেকে কার্যকর হবে চিনের আরোপিত শুল্ক।












Click it and Unblock the Notifications