ট্রাম্পের হৃদকম্পন বাড়িয়ে মোদী-পুতিনকে রেড কার্পেট বিছিয়ে স্বাগত জানাতে চলেছেন জিনপিং, চাপ বাড়ছে আমেরিকার
চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী সপ্তাহে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন-সহ মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বেশ কয়েকজন নেতাকে স্বাগত জানাবেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ব্রিকস দেশগুলির চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যেই এই আয়োজন রীতিমতো আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসসিও জোটের সম্প্রসারণ একটি প্রধান আলোচ্য বিষয় হলেও, এই মেগা ইভেন্টটি দিয়ে শি জিনপিং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এক নতুন সমীকরণ চোখে আঙুল দিয়ে দেখাবেন। অনেকের মতে এই সম্মেলন মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিকল্প একটি অবস্থা সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরবে।

বলা হচ্ছে, জানুয়ারি মাস থেকে চিন, ইরান, রাশিয়া এবং ভারতের বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। শি জিনপিং সেটাই সবার সামনে তুলে ধরার সুযোগ খুঁজছেন। আগামী ৩১ অগাস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চিনের তিয়ানজিনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। যার মূল লক্ষ্য হবে মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে একটি সম্মিলিত অবস্থান তৈরি করা এবং বিশ্বের সামনে এক বিকল্প পথের খোঁজ দেওয়া।
ডোনাল্ড ট্রাম্প যত লাফালাফি করছেন, ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ এবং অর্থনৈতিক বোঝাপড়া মার্কিন প্রশাসনকে তত অস্বস্তিতে ফেলছে। এসসিও এখন ১০টি স্থায়ী সদস্য এবং ১৬টি পর্যবেক্ষক দেশ নিয়ে গঠিত, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতায় এর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছে।
শীর্ষ সম্মেলন সদস্য দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে সহায়ক হলেও, এটি ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্ত বিরোধের উত্তেজনা কমাতেও একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে। সম্মেলনে ভারত ও চিন সেনা প্রত্যাহার এবং বাণিজ্য ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো পদক্ষেপ ঘোষণা করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এমন পদক্ষেপ জলবায়ু পরিবর্তনের মতো ক্ষেত্রে ব্যাপক সহযোগিতার পথ খুলে দিতে পারে। তবে চিন-ভারতের কাছাকাছি আসা সবচেয়ে বেশি করে চাপে ফেলতে চলেছে আমেরিকাকে।












Click it and Unblock the Notifications