Israel-Hezbollah ceasefire: ইজরায়েলের হলটা কী? হিজবুলের বিরুদ্ধে কেন এমন ঘোষণা? নজর আমেরিকার
Israel-Hezbollah ceasefire: হিজবুল্লার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ইজরায়েলের! গত কয়েকমাস ধরে লাগাতার হিজবুলের উপর হামলা চালিয়ে আসছিল সে দেশ। এমনকি শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এর মধ্যেই হঠাত বড় সিদ্ধান্ত। হিজবুল্লার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে দেওয়া হল।
এহেন সিদ্ধান্ত ঘিরে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। তাহলে এবার এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটতে চলেছে? এমন জল্পনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। গোটা পরিস্থিতির (Israel-Hezbollah ceasefire) উপর কড়া নজর রাখছে আমেরিকা।

একাধিক শর্ত মেনে এহেন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ২৭ নভেম্বর সকাল ১০ টা থেকে এহেন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। কোনও ভাবে হিজবুলের উপর হামলা চালানো হবে না। সেই মতো সকাল থেকে কোনও হামলা হিজবুলের উপর চালানো হয়নি। গত কয়েকমাস ধরে যেখানে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। সকাল থেকে একেবারে নিস্তব্ধতা।
তবে যুদ্ধবিরতি লেবাননের পরিস্থিতির উপর অনেকটাই নির্ভর করবে বলে স্পষ্ট ইজরায়েলের তরফে জানানো হয়েছে। এমনকি কোনও ধরনের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করা হলে কড়া হাতে ইজরায়েল তার জবাব দেবে বলেও হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিনের। এমনকি সর্বশক্তি দিয়ে বাহিনী ঝাপাবে বলেও জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই যুদ্ধবিরতি ঘোষণার দাবি উঠছিল। এমনকি আমেরিকাও এই বিষয়ে ইজরায়েলকে আবেদন জানায়। কার্যত সে পথে হেঁটেই শর্তসাক্ষেপে যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর।
এই বিষয়ে যদিও একটি মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই এহেন পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, টার্গেট পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। ইজরায়েলের জন্য গাজা যাতে কোনও ভাবে হুমকি না হয়ে উঠতে পারে সেজন্য চেষ্টা চালানো হবে। এমনকি হিজবুলের হাতে বন্দিদেরও দেশে ফেরানো হবে বলে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমমন্ত্রী।
একই সঙ্গে ঠিক কারণে হঠাত করে হিজবুলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা সে বিষয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। অন্যদিকে বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমের দাবি, যুদ্ধবিরতির চুক্তি কার্যকর করার পিছনে আমেরিকা এবং ফ্রান্সের বড় ভুমিকা আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফ্রান্সে প্রেসিডেন্টের মহ্যস্থতায় এহেন পদক্ষেপ বলেও দাবি করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications